sundarban tureEntertainment Enviornment Others Travel 

বিস্ময় জাগানো ভ্রমণক্ষেত্র-সুন্দরবন

আমার বাংলা নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অঞ্চল। উপকূলবর্তী গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের ব-দ্বীপ অঞ্চল। ভারত ও বাংলাদেশ জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। এক অদ্ভুত বৈচিত্র লক্ষ্য করা যায় এখানে। জলে কুমির ও ডাঙ্গায় বাঘের মুক্তাঞ্চল বলা হয়ে থাকে। সুন্দরী-গরান-হেঁতাল সহ নানা ম্যানগ্রোভ অরণ্যের সমাহার। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ও উত্তর চব্বিশ পরগনা জুড়ে যে জল-জঙ্গলময় অরণ্য রয়েছে সে কথাই তুলে ধরতে চাই। এখানে জলযানই একমাত্র গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দেয়। নদীর দু-পাশে অরণ্য ও জলরাশি বেষ্টিত। আশাকরি বুঝতেই পারছেন কোথাকার কথা বলছি। বিস্ময় জাগানো ভ্রমণক্ষেত্র-সুন্দরবন। কীভাবে যাবেন তা নিয়ে ভাবছেন? শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ক্যানিং পৌঁছে সুন্দরবন যাওয়া যায়। এছাড়া গাড়ি নিয়ে বাসন্তী ব্রিজ পার হয়ে গোসাবা পৌঁছেও সুন্দরবন যাওয়া যায়। তবে সজনেখালিতে বনদফতরের অফিস থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি পেলেই সুন্দরবন ভ্রমণ করতে পারবেন। প্রথমেই জেনে নিন-সোনাখালি,ঝড়খালি,নামখানা,ধামাখালি,গদখালি,হাসনাবাদ থেকে সুন্দরবন ভ্ৰমণ শুরু করা যায়। ক্যানিংয়ে বেশ কিছু ভ্রমণ সংস্থা রয়েছে তারা সুন্দরবন ভ্ৰমণের বন্দোবস্ত করে দেন। ক্যানিং থেকে প্রথমে অটো বা টোটোযোগে নদীর ঘাটে পৌঁছাতে হবে। এরপর বোটে চেপে সুন্দরবন ভ্ৰমণ শুরু হবে। বাঘ-কুমির সহ ম্যানগ্রোভ অরণ্যে নানা পাখি-পক্ষীর দেখা পাবেন। শামুকখোল, মোহনচূড়া,নীলকণ্ঠ সহ নানাবিধ পরিযায়ী পাখিদের দেখা মিলবে। এছাড়া নজরে পড়বে কুমির,হরিণ,বনবিড়াল,বুনোশুয়োর সহ বেশ কিছু প্রাণী। ভাগ্য ভালো থাকলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের দেখাও পেতে পারেন। ওয়াচ টাওয়ার থেকে দেখে নিতে পারেন সুন্দরবনের সবুজ প্রকৃতিকে। সুধন্যখালি,দোবাঁকি,নেতাধোপানি,বুড়ির ডাবরি,বনিক্যাম্প,কলসদ্বীপ,ভগবতপুর কুমির প্রকল্প সহ অনেক কিছুই আপনার নজরে পড়বে। প্রকৃতির শোভা আর মাঝে নদীর আল্পনা দেখতে দেখতে আপনি সুন্দরবন ভ্ৰমণ করে নিতে পারবেন। আজ এখানেই ইতি। ফের অন্য কোনও ভ্রমণে। (ছবি: সংগৃহীত)

Related posts

Leave a Comment