নিশ্চিহ্ন হবে শনির বলয়!
আমার বাংলা নিজস্ব প্রতিনিধি: আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা সূত্রের খবর,২০২৫ সালের মধ্যে পৃথিবীর আকাশ থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে শনির বলয়। সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে বিচার করলে ষষ্ঠ গ্রহ শনি। এটি বৃহস্পতির পর সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। জ্যোতির্বিজ্ঞানী,আকাশ পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষকরা বলে থাকেন,শনির বলয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হল তার বলয়। শনিতে মোট ৮২টি বলয় অবস্থান করে। মূল বলয় সংখ্যা ৭টি। যার বেশিরভাগই বরফ কণা,পাথরের ভগ্নাংশ ও ধূলিকণা দ্বারা গঠিত। ধূমকেতু,গ্রহাণু বা উপগ্রহের অংশ বিশেষ হিসেবে ধরা হয়। এক্ষেত্রে জ্যোতির্বিজ্ঞানী,আকাশ পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষকদের বক্তব্য,কয়েক লক্ষ বছর পূর্বে শনির সংস্পর্শে আসার পর মাধ্যাকর্ষণের টানে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায় মহাজাগতিক পদার্থগুলি। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বহু পূর্বেই জানিয়েছিলেন,এই বলয় চিরস্থায়ী নয়। প্রায় ১০ কোটি বছর এর আয়ুষ্কাল ধরা হয়েছিল। সেই বলয় ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে পড়ছে। শনির বুকে আছড়ে পড়ছে ঘূর্ণায়মান পাথরখণ্ড। এক্ষেত্রে নাসা সূত্রে জানানো হয়েছে, মাত্র দেড় বছরের মধ্যে পৃথিবীর আকাশ থেকে অদৃশ্য হয়ে যাবে শনির বলয়। এ বিষয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মত,শনি পৃষ্ঠদেশ থেকে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার মাইল বিস্তৃত বলয়কে টেলিস্কোপে দেখতে পাওয়া যায়। এটি ২০২৫ সালের পর আর দৃশ্যমান হবে না। এক্ষেত্রে নাসার বিজ্ঞানীদের বক্তব্য,পৃথিবীর সাপেক্ষে ৯ ডিগ্রি কোণে শনি আনত।২০২৪ সালের মধ্যে এই কোণ কমে প্রায় ৩.৭ ডিগ্রি হয়ে যাবে। এ বিষয়ে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে,২০৩২ সাল নাগাদ পৃথিবীর সাপেক্ষে শনি ২৭ ডিগ্রি কোণে হেলে যাবে বলে আশঙ্কা। ওই বছর অনেকটাই স্পষ্ট হবে বলয়। ১৯৯৬ ও ২০০৯ সালে শনির বলয় অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল। তবে নাসা ও জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এই চর্চায় নজর রাখতেই হচ্ছে! (ছবি: সংগৃহীত)

