nabannaOthers Politics 

রাজ্যে ৭ নতুন জেলা : নেপথ্যে জল্পনাও

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ৭টি নতুন জেলার ঘোষণা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে এই ঘোষণা করেছেন। এরপরই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলেছে। বিভিন্ন প্রতিক্রিয়াও পাওয়া যাচ্ছে। একনজর দেখে নেওয়া যাক নতুন যে জেলাগুলি হচ্ছে। যেমন – সুন্দরবন জেলা (দক্ষিণ ২৪ পরগনা), ইছামতী জেলা-বনগাঁ সাব ডিভিশন (উত্তর ২৪ পরগনা), বসিরহাট ( চূড়ান্ত নামকরণ পরে হবে), রাণাঘাট (নদিয়া), বিষ্ণুপুর (বাঁকুড়া),বহরমপুর ও কান্দি (মুর্শিদাবাদ)। ৭টি নতুন জেলার ঘোষণা হওয়ার পিছনে কী লক্ষ্য তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত,পশ্চিমবঙ্গে নতুন ৭টি জেলা গঠন করার মূল লক্ষ্য হচ্ছে – রাজ্য সরকারের আয় বাড়ানো।

রাজ্যে নতুন ৭টি জেলা ঘোষণা হওয়ার পর রাজ্যে জেলার সংখ্যা ২৩ থেকে বেড়ে হল ৩০। সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, জেলা ভাগের নেপথ্যে প্রধান কারণ হচ্ছে রাজ্যের আয়ের বিষয়টি বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া। নতুন জেলা গঠন করা হলে সেই জেলার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আলাদা আর্থিক সহায়তা মিলবে। পরিকাঠামো উন্নয়ন সহ বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পগুলিতে পাওয়া যাবে আর্থিক সহায়তা। প্রশাসনিক কাজেও গতি আসবে বলেও দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে অতি দ্রুত সরকারি পরিষেবার সুফল পৌঁছে যাবে বলেও প্রশাসনিক মহলের মত। অন্যদিকে নতুন জেলা হওয়া নিয়েও ভিন্ন মত পোষণ করেছেন একাংশ।

সরকারিভাবে আরও জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশী দুই রাজ্য বিহার এবং ওড়িশায় লোকসভা আসন পশ্চিমবঙ্গের থেকে কম। তবে জেলার সংখ্যা বেশি। পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা আসন সংখ্যা ৪২। জেলার সংখ্যা বাড়লে ২৩ থেকে হবে ৩০। ওড়িশা রাজ্যের ক্ষেত্রে লোকসভা আসন সংখ্যা ২১। যা পশ্চিমবঙ্গের অর্ধেক। আবার এই রাজ্যের জেলার সংখ্যা ৩০। অন্যদিকে বিহারে লোকসভা আসন সংখ্যা ৪০। পশ্চিমবঙ্গের থেকে ২টি কম। এই রাজ্যে জেলার সংখ্যা ৩৮টি । সব মিলিয়ে প্রশাসনিক স্তরে এই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তৎপরতা চলেছে। অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে ভিন্নমতও শুরু হয়েছে।(ছবি: সংগৃহীত)

Related posts

Leave a Comment