বৃষ্টিতে পাহাড়ে বিধ্বংসী ধস, বিপাকে স্থানীয় বাসিন্দারা
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: টানা বৃষ্টির জেরে বিচ্ছিন্ন পাহাড়। ফলে একাধিক জায়গায় ধস নামে। স্থানীয় সূত্রের খবর, লাগাতার বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত শৈলশহর দার্জিলিং থেকে জাতীয় সড়ক। ৩ দিন একনাগাড়ে বৃষ্টি হচ্ছে পাহাড়ে। বৃষ্টিতে পাহাড়ের ১০ নং জাতীয় সড়কে একাধিক ধস নামার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রের আরও খবর, ২৯ মাইলে আবারও ধস নামে। ১০ নং জাতীয় সড়কে শ্বেতীঝোরায় রাস্তা ধসে গিয়েছে। এই অবস্থায় বাংলা ও সিকিমের যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে যান চলাচল সম্ভব নয় বলে পূর্ত দফতর সূত্রে জানা যায়।
অন্যদিকে ধস সরানোর কাজ শুরু করে পূর্ত দফতরের কর্মীরা। তবে বৃষ্টির জন্য কাজে বিঘ্ন ঘটছে। বৃষ্টি না কমলে ধস পুরোপুরি সংস্কার করা সম্ভব নয় বলে জানানো হয়েছে। আবার ৩১ নং জাতীয় সড়কের সেবক কালীবাড়ির কাছেও ধস নামে। শিলিগুড়ির সঙ্গে অসম ও ডুয়ার্সের যোগাযোগ বন্ধ। জানা যায়,অনেকটা ঘুরপথে গজলডোবা হয়ে গাড়ি চলাচল করছে। আবার ১০ নং জাতীয় সড়কে ধস নামায় শিলিগুড়ির সঙ্গে সিকিম এবং কালিম্পংয়ের মধ্যে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয় । পেশক হয়ে ঘুরপথে চলছে যান -বাহন চলাচল।
জানা গিয়েছে, জাতীয় সড়ক একেবারে বন্ধ থাকায় বিপাকে পাহাড় ও সমতল। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, শনিবার পর্যন্ত বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা। উদ্বেগ বেড়েছে পাহাড়বাসী ও জেলা প্রশাসনের। দার্জিলিংয়ের বিভিন্ন জায়গায় ধস নেমেছে। দার্জিলিংয়ের সদর হাসপাতাল সহ পুরসভার বেশ কিছু এলাকায় ধস নামায় স্থানীয় বাসিন্দারা বিপাকে। বেশ কিছু বাসিন্দা অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ধস মোকাবিলায় আসরে নেমেছে জিটিএ’র ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিম। দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার ৮টি ব্লকের ধস প্রবণ এলাকায় পৌঁছে গিয়েছেন তাঁরা । ত্রিপল সহ প্রয়োজনীয় সামগ্রীও পৌঁছে গিয়েছে।

