শিলচর রামকৃষ্ণ মিশনে পুজোয় ‘করোনা-নাশক মেশিন’
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : শিলচরে রামকৃষ্ণ মিশন সেবাশ্রমেই দর্শনার্থীদের ভিড় বেশি হয়। এবার ভিন্ন পরিস্থিতি। সূত্রের খবর, করোনার আবহে পুস্পাঞ্জলি ও খিচুড়ি প্রসাদের ব্যবস্থা থাকছে না। তবে দর্শনার্থীর আকর্ষণ কেড়ে নেবে শাইকোকেন, এমনটাই মনে করা হচ্ছে। শিলচরে এখন মানুষের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে, রামকৃষ্ণ মিশনের করোনা-নাশক মেশিনের কথা।
সবারই আগ্রহ বেড়েছে মেশিন দেখার। শিলচর রামকৃষ্ণ মিশন সূত্রের খবর, এবার পুজোয় মায়ের চরণে পুস্পাঞ্জলি দেওয়ার জন্য অধিকাংশ পুণ্যার্থী মিশনকে বেছে নেবেন। করোনা আবহে এবার শিলচরের মিশনে পূর্ব বছরের মতো পুস্পাঞ্জলি ও খিচুড়ি প্রসাদ হবে না। এবার পুণ্যার্থীরা নিজেরাই ফুল-বেলপাতা মায়ের উদ্দেশে নিবেদন করবেন। অন্যদিকে প্রবেশ পথে দেওয়ার ব্যবস্থা হবে গোটা ফল-প্রসাদ ও বোঁদে।
প্রসঙ্গত, করোনা আবহে সংক্রমণের আশঙ্কায় এবার পুজোর সংখ্যা কমছে। শহরে এই বছর পুজো অনেক কম। অধিকাংশ দর্শনার্থীর মিশনে আসার সম্ভাবনা। এই বছর দর্শনার্থীর সমাগম হতে পারে ২০ হাজার। স্থানীয়ভাবে জানা গিয়েছে, বিশাল জনসমাগম সামলানো যাবে তা নিয়েই উদ্বেগ বেড়েছে। মাস্ক ও সামাজিক দূরত্বের মাঝে চলে এল শাইকোকেনের কথা। এ বিষয়ে জানা গিয়েছে, বিজ্ঞানী রাজা বিজয়কুমার এর উদ্ভাবক। বেঙ্গালুরুর একটি প্রতিষ্ঠান ১৫ আগস্ট থেকে এর উৎপাদন শুরু করেছে। কলকাতায় রামকৃষ্ণ মিশনের শিশুমঙ্গল হাসপাতালে তা লাগানো হয়েছে। এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, এটি ১ হাজার বর্গফুট এলাকায় ৩০ মিটার উচ্চতায় করোনা-প্রুফ। এমনকী এর বিচ্ছুরিত ইলেকট্রন কণা নিজের পরিসীমায় করোনা আবহে স্পাইক প্রোটিনকে পেলেই নিঃশেষ করে দিয়েছে। ৪টি শাইকোকেন কিনেছে শিলচর মিশন। শিলচরে কিনে আনা শাইকোকেনগুলি দেখিয়েছেন গণধীশানন্দ মহারাজ।

