Home TuitionOthers 

গৃহশিক্ষকদের অস্তিত্ব বিপন্ন- রুটি-রুজির তাগিদ

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : অনলাইনের দাপটে বিপন্ন গৃহশিক্ষকেরা। করোনা আবহে গৃহশিক্ষকের কাছে পড়ুয়ার সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে। এক্ষেত্রে গৃহশিক্ষকদের বক্তব্য, পড়ুয়ার সংখ্যা কমতে কমতে তলানিতে এসে পৌঁছে গিয়েছে। অন্যদিকে রুটি-রুজির তাগিদে তাঁরা অন্য পেশায় চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এক্ষেত্রে গৃহশিক্ষকদের একটি বড় অংশের অভিযোগ, স্কুল শিক্ষকদের একাংশ দাপিয়ে টিউশন চালিয়ে যাওয়ায় যাঁরা শুধু গৃহশিক্ষকতা করে জীবিকা নির্বাহ করেন, তাঁদের অস্তিত্ব বিপন্ন হচ্ছে।

সূত্রের খবর, করোনা আবহের কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে গিয়েছে। নিজেদের পেশা বাঁচাতে এবং স্কুল শিক্ষকদের টিউশন বন্ধ করার দাবিতে গৃহশিক্ষকেরা আন্দোলনে নামতে চলেছেন। এই দাবির ভিত্তিতে রাজ্যের শিক্ষা দফতরে স্মারকলিপিও দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ গৃহশিক্ষক কল্যাণ সমিতি। এক্ষেত্রে তাঁদের দাবি ও বক্তব্য, গৃহশিক্ষকের পেশাকে স্বীকৃতি দিয়ে তাঁদের সরকারি পরিচয়পত্র দিতে হবে। পাশাপাশি স্কুল শিক্ষকেরা প্রাইভেট টিউশন করছেন কি না, সে বিষয়ে সরকারি কড়া নজরদারির ব্যবস্থা চাই।

সূত্রের আরও খবর, করোনা পরিস্থিতিতে অন্য পেশার মতো প্রাইভেট টিউশনও অনলাইন নির্ভর হয়ে দাঁড়িয়েছে। দূরত্ব-বিধি বজায় রাখার তাগিদে এখন বাড়িতে পড়ুয়া জড়ো করে পড়ানো বন্ধ। আবার কাগজে-কলমে স্কুল শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশনও বন্ধ। গৃহশিক্ষকদের একাংশ অভিযোগ করে জানিয়েছেন, অনলাইনে স্কুল শিক্ষকদের টিউশনের রমরমা বেড়েছে। করোনাজনিত কারণে শিক্ষকদের স্কুলে যেতে হচ্ছে না। পড়ুয়াদেরও ডাকতে হচ্ছে না বাড়িতে। অনলাইনে তাঁরা একসঙ্গে অনেককে পড়াতে পারছেন।

উল্লেখ করা যায়, স্কুল শিক্ষকেরা বাড়িতে টিউশন করছেন কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে তা বোঝাও যাচ্ছে না। পরীক্ষায় ভাল নম্বর পেতে অনেক পড়ুয়া স্কুলের মাস্টারমশাইদের কাছে পড়তেই বেশি পছন্দ করে থাকেন। ভাল নম্বর পাওয়া যাবে এই আশ্বাসে তাঁদের কাছে পড়ার জন্য চাপও দেন অনেকে। আবার অনেকেই প্রাইভেট টিউশনের জন্য স্কুল শিক্ষকদের দিকে ঝুঁকছে। স্কুল শিক্ষকেরাও সেই সুযোগে জাঁকিয়ে টিউশন করে চলেছেন, এমনই অভিযোগ। সব মিলিয়ে বেকায়দায় গৃহশিক্ষকেরা।

Related posts

Leave a Comment