মহামারী মোকাবিলায় শীর্ষে উত্তরপ্রদেশ- আন্তর্জাতিক প্রশংসা
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : করোনা নিয়ন্ত্রণে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেলেন আন্তর্জাতিক প্রশংসা। মুখ্যমন্ত্রী যোগীনাথের মস্তিষ্কপ্রসূত এই মহামারি জয় বলে জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, ১১ জন উচ্চপদস্থ আধিকারিক নিয়ে করোনা আবহে একটি দল গড়া হয়। প্রতিদিন সভার শেষে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এরফলে বর্তমানে আরোগ্যর হার ৯৭ শতাংশ।
সূত্রের আরও খবর, এই রাজ্যে একদিনে ১ লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রাথমিক স্তরে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ করা যায়, এখনও পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশে করোনা আবহে চিকিৎসার জন্য ১ লক্ষ ৭৫ হাজার শয্যা রয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের ৭৫টি জেলায় গুরুতর রোগীর জন্য ভেল্টিলেটর পরিষেবা রয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে সময় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য ওয়ার্ড বয় থেকে বিশেষজ্ঞ পুরো মেডিক্যাল পরিকাঠামো অনেক বেশি মজবুত।
এক্ষেত্রে আরও জানা িগয়েছে, মৃত্যুর হার দেশের অন্য প্রধান রাজ্য ও সারা ভারতের গড় সংখ্যার থেকে কম। উত্তরপ্রদেশে গড় ১০ লক্ষ মানুষের মধ্যে ৩৮ জন করোনা পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয়েছে। সেখানে দেশব্যাপী মৃত্যুর হার ১১৬ প্রতি ১০ লক্ষ। অন্যদিকে আরও জানা যায়, গত এপ্রিল থেকে স্থানীয় স্তরে গ্রাম ও শহরে মেডিক্যাল নজরদারি দল তৈরি করা হয়েছিল। করোনা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। ৭০ হাজারের বেশি নজরদারি দল তৈরি করা হয়।
আশাবহু, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও ধাত্রীদের নিয়েও কাজ করা হয়েছে। সমষ্টিগতভাবে ১৮ কোটি পরিবারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে। যা অন্য রাজ্যের তুলনায় উত্তরপ্রদেশে অনেক বেশি, এমনটাই জানা গিয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে ‘মেরা করোনা কেন্দ্র এপ’-এর ব্যবহারের জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়। এই কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করা হয়েছে। আবার করোনা রোগ নির্ণয়, নিরাময় ও চিকিৎসার জন্য একটি বিশেষ ও নির্ধারিত পোর্টালও তৈরি করা হয়েছে। করোনা আবহে রিপোর্ট পরিষেবার জন্য যা দিয়ে রোগী নিজের রিপোর্ট দেখতে সক্ষম হয়েছেন। ‘মেরা করোনা কেন্দ্র এপ’-এর মাধ্যমে পরীক্ষা কেন্দ্রের খোঁজ পাওয়া সম্ভব হয়েছে রোগীর ৫ কিমি বৃত্তের মধ্যে। সব মিলিয়ে সফল হয়েছে করোনা প্রতিরোধে বিভিন্ন উদ্যোগ।

