ramkrisna and birthdayOthers 

ঈশ্বর সাধনার অনন্ত পথে শ্রীরামকৃষ্ণ

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: আজকের দিনে পুণ্য তিথিতে জন্মেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব। ১৮৬তম জন্মতিথি শ্রীরামকৃষ্ণের। পঞ্জিকা মতে ও জন্ম তিথি অনুযায়ী আজ সেই বিশেষ তিথি। এই ধরাধামে আবির্ভূত হয়েছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ। তাঁর সান্নিধ্য পেয়েই আধ্যাত্মিকতায় এগিয়ে যান স্বামী বিবেকানন্দ। হুগলি জেলার কামারপুকুর গ্রামে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণপরিবারে জন্ম হয় শ্রীরামকৃষ্ণের। তিনি যুগাবতার ছিলেন। শৈশব থেকেই ঈশ্বর সাধনায় মগ্ন হয়ে পড়েন। ছোট্ট গদাধর আধ্যাত্মিক অনুভূতির সংস্পর্শ পান। প্রথাগত শিক্ষায় কোনও আগ্রহ ছিল না তাঁর।

জয়রামবাটী গ্রামের রামচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের কন্যা সারদার সঙ্গে ১৮৫৯ সালে বিয়ে হয় শ্রীরামকৃষ্ণের। রামকৃষ্ণের মতো সারদা দেবীও আধ্যাত্মিক পথে হাঁটতে শুরু করেছিলেন। সবার “মা সারদা” হয়ে ওঠেন তিনি। সারদা দেবীকে দিব্য- মাতৃজ্ঞানে পুজো করতেন শ্রীরামকৃষ্ণ। কলকাতার এক ধনী জমিদার পত্নী রানি রাসমণি দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেখানে পৌরহিত্য শুরু করেন শ্রীরামকৃষ্ণ। নারী প্রতিষ্ঠিত মন্দিরে গদাধরের পুজো ঘিরে নানা বিতর্কও তৈরি হয়েছিল।

ঈশ্বর সাধনার অনন্ত পথে হাঁটতে শুরু করেন তিনি। কালীর ভক্তিতে ধীরে ধীরে বিভোর হয়ে ওঠেন শ্রীরামকৃষ্ণ। নরেন্দ্রনাথ দত্ত থেকে স্বামী বিবেকানন্দ হয়ে ওঠার পিছনে শ্রীরামকৃষ্ণের অবদান রয়েছে। সমাজের নানা সমস্যা তাঁকে আধ্যাত্মিক পথে নিয়ে যায়। সেই পথের কাণ্ডারী হয়ে ওঠেন শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব। তাঁর মুখে শোনা গিয়েছে,”কালী, খ্রীস্ট ও আল্লা সবই এক”। সকল মতই একই ঈশ্বরের পথে মানুষকে চালিত করে। এই বাণী তাঁর ভক্তদের মধ্যেও ছড়িয়ে দেন তিনি। একপ্রকার সব ধর্মের মানুষই শ্রীরামকৃষ্ণের সান্নিধ্য লাভ করেন।

Related posts

Leave a Comment