নির্বাচনী পরিক্রমা- আজকের জেলা বীরভূম
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : বাংলার ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ৮ দফা ভোটগ্রহণ পর্ব চলবে। ২৯৪ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভা নির্বাচনে এবার ভোটগ্রহণ কেন্দ্র সংখ্যা ১ লক্ষ ১ হাজার ৯১৬টি। একুশের এই নির্বাচনে জেলাওয়াড়ি একঝলক ভোট- চিত্র তুলে ধরছি আমরা।
এবারের জেলা- বীরভূম। এই জেলায় আসন সংখ্যা মোট ১১টি। নির্বাচনী নির্ঘন্ট- অষ্টম দফা (২৯ এপ্রিল) এই দফায় ১১টি কেন্দ্রে ভোট হবে। কেন্দ্রগুলি হল- নানুর, লাভপুর, বোলপুর, সিউড়ি, দুবরাজপুর, সাঁইথিয়া, ময়ূরেশ্বর, হাসন, রামপুরহাট, নলহাটি ও মুরারই
গত বিধানসভা নির্বাচনে যে চিত্র ছিল তা একনজর। বিধানসভা কেন্দ্র ও বিজয়ীরা হলেন- নানুর- শ্যামলী প্রধান (সিপিএম), লাভপুর- মনিরুল ইসলাম (বিজেপি), বোলপুর- চন্দ্রনাথ সিনহা (তৃণমূল), সিউড়ি- অশোক চট্টোপাধ্যায় (তৃণমূল), দুবরাজপুর- নরেশ বাউড়ি (তৃণমূল), সাঁইথিয়া- নীলাবতী সাহা (তৃণমূল), ময়ূরেশ্বর- অভিজিৎ রায় (তৃণমূল), হাসন- মিল্টন রশিদ (তৃণমূল), রামপুরহাট- আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় (তৃণমূল), নলহাটি- মইনুদ্দিন শামস (তৃণমূল) এবং মুরারই- আব্দুর রহমান (তৃণমূল)।
জেলা-পরিক্রমা করে স্থানীয় মানুষদের যে দাবি উঠে এসেছে তা হল- জেলায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, সতীপীঠ ও ট্যুরিস্ট সার্কিট, প্রাচীন কাঁসা-পিতল শিল্পের উন্নয়ন প্রভৃতি বিষয় রয়েছে। নলহাটি, মুরারই ও সিউড়ির উন্নয়নে নজর। আবদারপুরে রেলগেটে ওভারব্রিজ নির্মাণ ও সাঁইথিয়ায় রেলব্রিজের সম্প্রসারণ প্রভৃতি বিষয়গুলি আলোচনায়।
উল্লেখযোগ্য দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে- রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ, রামপুরহাট, সিউড়ি ও বোলপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের বিষয় রয়েছে। তারাপীঠে ডবল লেনের রাস্তা ও দ্বারকার ওপর ব্রিজ ও বিশ্ব বাংলা ঘাট প্রভৃতি বিষয়গুলি রয়েছে। এছাড়া দ্বারকার পাড়ে পার্ক, পলিটেকনিক কলেজ, হাসনের ভাঙলা ব্রিজ, মল্লারপুর ও পাইকরে নতুন থানার বিষয় রয়েছে। আবার বোলপুর বিশ্ব বাংলা ইউনিভার্সিটি, গীতবিতান, কর্মতীর্থ, সংখ্যালঘু হস্টেল প্রভৃতি বিষয়গুলি আলোচনায়। এছাড়া লাভপুর লাঘাটা ব্রিজ, বোলপুর রাঙাবিতান ট্যুরিস্ট কমপ্লেক্স, বক্রেশ্বর ট্যুরিস্ট কমপ্লেক্স, জয়দেবে বাউল অ্যাকাডেমি ও রামপুরহাটে সার্কিট হাউসের বিষয়গুলি রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সেভাবে বাড়েনি। দুর্নীতির বিষয়টি সামনে এসেছে। জেলার সার্বিক উন্নয়ন হলেও সর্বস্তরে তা পৌঁছায়নি।
জেলার বিভিন্ন প্রান্তে খোঁজ-খবর নিয়ে আমাদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন মানুষের বিভিন্ন অভিযোগও। কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে শিল্প তৈরি হয়নি বলে অভিযোগ। মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে, এমনই অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রাইমারি শিক্ষকের চাকরি নিয়ে চূড়ান্ত রাজনীতি হয়েছে, এই অভিযোগও প্রকাশ্যে।
খবরটি পড়ে ভাল লাগলে লাইক-কমেন্ট ও শেয়ার করে পাশে থাকবেন।

