পাথরপ্রতিমায় নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচি মমতার
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক:পাথরপ্রতিমায় নির্বাচনী প্রচারে আইএসএফ-কে তোপ দাগলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৪ ঘণ্টায় তাঁর ২ জেলা ও চার জনসভা রয়েছে। এটাই তৃণমূল নেত্রীর প্রচার কর্মসূচি । প্রথমটি পাথরপ্রতিমার কলেজ মাঠে। পাথরপ্রতিমা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমোর মন্তব্য, “বিজেপি সঙ্গে ডিল করে একটা নতুন দল এসেছে। বিজেপি থেকে গজিয়েছে হঠাৎ করে। বিজেপি টাকা দিয়ে তাদের পাঠিয়েছে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ করতে। “
বিজেপির নির্বাচনী ইশতেহারে সুন্দরবন জেলার কথা বলা হয়েছে। মমতার কথায় উঠে এল সেই প্রসঙ্গ। মমতা এ বিষয়ে বলেন, “পাথরপ্রতিমা আমার ধ্যানে রয়েছে। সুন্দরবন আলাদা জেলা হবে আগেই বলেছি। নতুন করে কারও বলার অপেক্ষা রাখে না।” অন্যদিকে উন্নয়ন প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, “এখানে যাতায়াতের সমস্যা ছিল। কয়েকশো কোটি টাকা ব্যবহার করে সেতু হয়েছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হয়েছে। ১৭টি নতুন সেতু হয়েছে সুন্দরবনে। ৫৩০০ কিলোমিটারের বেশি রাস্তা হয়েছে সুন্দরবনে। আড়াই হাজার টিউবওয়েল হয়েছে সুন্দরবনে।”
তিনি আরও জানান,আগামী দিনে চলবে সবুজসাথীর মতো প্রকল্প। বিনামূল্যে বাড়িতে পৌঁছবে রেশন। তৃণমূল নেত্রীর আরও বক্তব্য, “আমি বিজেপি পার্টির মতো ধান্দাবাজ নই, দাঙ্গাবাজ নই। আমি মানুষের জন্য কাজ করি। সবুজসাথীর সাইকেল পাবে ছেলে-মেয়েরা। ছাত্রছাত্রীরা স্মার্টফোন পাবেন। দরজায় দরজায় রেশন পৌঁছে দেব। কৃষক বন্ধুরা ভবিষ্যতে ১০ হাজার টাকা করে পাবে।”
আমফানের টাকা প্রসঙ্গে বিজেপিকে তোপ দাগলেন তিনি। এ বিষয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া,আমফানে বিজেপি টাকাই দেয়নি। পাশে ছিল না। বুলবুলেও ছিল না। আমফানে ১৯ লক্ষ লোককে বাঁচিয়েছিলাম। থরথর করে কাঁপছিল নবান্ন। সারারাত জেগে পাহাড়া দিয়েছি। বুলবুলের সময়ে ২০ লক্ষ মানুষের ক্ষতি হয়েছিল। দুর্গতের সাহায্যে কোনও কার্পণ্য করিনি। তিনি আরও জানিয়েছেন,এত বড় যজ্ঞে একটা দুটো ভুল হতে পারে। আমরা সাত হাজার কোটি টাকা দিয়েছি আমফানে। আরও ভাঙন বাঁধাতে হবে, জেটির কাজ করতে হবে। করে চলেছি। সুনামি যখন হয়েছিল, কী অবস্থা হয়েছিল। আমি আপনাদের জন্য রিলিফ সেন্টার করে দিয়েছি।
নির্বাচনী ইশতেহারে সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম পে কমিশনের কথা বলেছে বিজেপি। সেই বিষয়ে মমতার মন্তব্য, “ত্রিপুরায় ক্ষমতায় এসে গ্র্যাচুয়িটি, পিএফ বন্ধ করে দিয়েছে সরকারি চাকরিতে। আসামে ১৪ লক্ষ মানুষকে ঘরছাড়া করেছে।”পাথরপ্রতিমার এই সভা থেকে তিনি আরও বললেন, “মিডিয়াকে কিনে নেওয়ার চেষ্টা করছে। আমি মানুষের ব্রিগেড চিনি। আপনাদের দেখে যদি বুঝতে না পারি তা হলে রাজনীতি করা বৃথা।”

