করোনা নিরসনে নিরন্তর প্রয়াস
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : করোনা আবহ ক্রমশ জটিল হচ্ছে। দেশে করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, এমনটাই আন্দাজ করছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে দেশের জনসংখ্যার নিরিখে করোনা আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা খানিকটা কম অন্য দেশের তুলনায়। সামনের দিনগুলিতে কী অবস্থা হতে পারে তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। চিকিৎসা-বিজ্ঞানীরাও এ বিষয়ে স্পষ্টভাবে জানাতে পারছেন না। প্রতিকার বা প্রতিষেধক নিয়েও সমস্যা রয়েছে।
এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, বাস্তব চিত্রটা মানতেই হবে, এত স্বল্প সময়ে প্রতিষেধক তৈরি করা সম্ভব নয়। পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতিতে নিজের চরিত্র পরিকাঠামো পরিবর্তন হয়ে চলেছে। চিকিৎসা-বিজ্ঞানীরা যেভাবে নিরন্তর পরিশ্রম করে চলেছেন তার প্রশংসা করতেই হয়। সমাজের প্রতিটি মানুষ এই যুদ্ধের সৈনিক। যাঁরা বিপদে নিজেদের জীবন বাজি রেখে রোগীদের পাশে রয়েছেন তাঁদের অবদান অতুলনীয়।
উল্লেখ করা যায়, কিছুটা স্বাভাবিক জীবন পাওয়া সম্ভব হয়েছে কিছু ক্ষেত্রে শিথিলতার জন্য। রোগীর সংখ্যা বাড়ছে প্রতিনিয়ত। আগামী দিনে কোথায় গিয়ে পরিস্থিতি দাঁড়াবে তা নিয়ে ভাবনা বেড়েছে। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের মত, চিকিৎসাশাস্ত্র এই করোনাকে সমূলে নির্মুল করতে পারবে তা-ও স্পষ্ট নয়। হোমিওপ্যাথি, অ্যালোপ্যাথি, আয়ুর্বেদিক উপায়ে নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সব মিলিয়ে এখনও কোনও চিকিৎসাশাস্ত্র ভরসা দিতে পারেনি।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক মানুষ করোনা মুক্ত হচ্ছেন তা ভাল খবর। তবে কিছু নির্দেশিকাকে মান্যতা দিতেই হবে। এক্ষেত্রে নিজেকে পরিচ্ছন্ন পরিবেশে বসবাস করা সহ-শুদ্ধিকরণ করার কথা বলা হয়েছে। চড়ক সংহিতাতেও এসবের উল্লেখ রয়েছে। আমরা হয়তো শৈথিল্য দেখালে খেসারতও দিতে হচ্ছে। এখনও অনেকে মাস্ক না পরেই বেরিয়ে পড়ছি। সামাজিক দূরত্বের বিষয়টি মানছি না।
এক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ কঠোরভাবে মানতে হবে বলে জানানো হয়। বিশেষজ্ঞদের আরও বক্তব্য, প্রত্যেক দিন নতুন করে বিভিন্ন ওষুধের বিষয়টি সামনে আসছে। কোন ওষুধ সঠিকভাবে কাজ করতে সক্ষম হবে তা এখনও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেনি বলে জানা যায়। সব মিলিয়ে সমস্যা রয়েই গিয়েছে। এর থেকে মুক্ত হতে হবে।
মতামত সহ-লাইক ও শেয়ার করবেন।

