বাংলাদেশের ৯টি জেলার ২৭ উপজেলা প্লাবিত
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : টর্নেডো হানা বাংলাদেশেও। পশ্চিমবঙ্গের হালিশহর, ব্যান্ডেল ও অশোকনগরের টর্নেডোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্বল্প সময়ের ঝড়ে বাংলাদেশের ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকার পঞ্চাশের বেশি বাড়ি ভেঙে গিয়েছে বলে খবর। ভেঙেছে বহু গাছও। ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ বাংলাদেশে প্রবেশ করবে না বলে ঠিক ছিল। ওড়িশায় আছড়ে পড়বে আশঙ্কা ছিল। হঠাৎ ঝড় এসে লন্ডভন্ড করল সবকিছু।
‘যশ’ সূত্রের খবর, ওড়িশার ধামরায় আছড়ে পড়লেও দক্ষিণ বাংলাদেশের ৯টি জেলার ২৭টি উপজেলা প্লাবিত করেছে জলোচ্ছ্বাসে। অন্যদিকে এই দেশের সুন্দরবনের বিরাট এলাকাও প্লাবিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, আম্ফানের চেয়ে প্রায় এক ফুট বেশি জলস্ফীতি হয়েছে এবার। সমুদ্র ও তার সঙ্গে যোগ থাকা নদীগুলিতে জলস্তর বেড়েছে। ওই দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভেড়িবাঁধ ভেঙেই জল প্রবেশ করেছে গ্রামগুলিতে।
এ বিষয়ে আরও জানানো হয়েছে, নিচু এলাকার অসংখ্য বাড়িতে জল ঢুকে গিয়েছে। প্লাবিত হয়েছে বিস্তীর্ণ চাষের জমিও। ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি। কয়েক লক্ষ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ায় প্রাণহানি কমানো সম্ভব হয়েছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি পদ্মা-সহ বিভিন্ন নদীগুলিতে স্রোত বেড়ে যাওয়ায় নৌকা চলাচল বন্ধ রাখা হয়। সতর্ক করা হয় চট্টগ্রাম, পায়রা ও মংলা বন্দরকেও।

