অকপট স্বীকারোক্তি রাজীবের
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরা থেকে তৃণমূলে যোগদানের পর বিমানবন্দরে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্বাগত জানালেন অনুগামীরা। সাংবাদিকদের কিছু প্রশ্নের অকপট স্বীকারোক্তিও করলেন। তারই একনজর তুলে ধরা হল। অনুগামীদের উদ্দেশে তাঁর মন্তব্য, ” যাঁরা এসেছেন প্রত্যেককে ধন্যবাদ। আগামী দিনে আবার একসঙ্গে কাজ করবো, এইটুকু প্রতিশ্রুতি দিলাম”।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুঃখপ্রকাশ করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আমার শ্রদ্ধেয় নেতা ও অভিভাবক। আমি যখন দল ছেড়ে যাই তিনি অত্যন্ত দুঃখিত ছিলেন। সেই দুঃখ ওঁনার এখনও যায়নি। যেটা বলেছেন, সেটা ওঁনার ব্যক্তিগত মত। আমার সাথে ওঁনার দাদা ভাইয়ের সম্পর্ক,অসুবিধা হবে না, ঠিক হয়ে যাবে।
ত্রিপুরার দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়ে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য, “ত্রিপুরার মাটি আমি বহুদিন ধরে চিনি। বিগত ১৬ সালের পর থেকে বহুবার ত্রিপুরায় গিয়েছি। রাজনীতির কারণেও গিয়েছি। বিভিন্ন সামাজিক কাজে গিয়েছি ও মন্দিরেও গিয়েছি। ওখানে আমার অনেক বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন রয়েছে”। এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ” ত্রিপুরা হচ্ছে আমাদের প্রতিবেশী রাজ্য, একই রকম সংস্কৃতি ও ভাষার প্রায় সমান মিল রয়েছে। সুতরাং অসুবিধা হওয়ার কোনও কারণ নেই। দল যখন যেখানে দায়িত্ব দেবে,সেই দায়িত্ব আমি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব”।
আপনি বারবার দল বদল করেন তাতে মানুষের আপনার প্রতি বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়। এই প্র্রশ্নের জবাবে তাঁর মন্তব্য,”আমি একজন দক্ষিণপন্থী রাজনৈতিক দল থেকে বিলং করি, ভারতের জাতীয় কংগ্রেস পরিবার থেকে আমার জন্ম। সাময়িকভাবে আমার কিছু রাগ অভিমানের কারণে দলবদল করেছিলাম,সেটা ঠিক হয়নি। আমি সেটা উপলব্ধি করেছি। যার কারণে ছয় মাসের মধ্যে আমি আমার পুরনো ঘরে ফিরে এসেছি”।
গত বিধানসভা নির্বাচনের সময় তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাঁকে কেন্দ্র করে অনেক বিরূপ মন্তব্য করা হয়। এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য, “রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু হয় না। বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা হয়। তাই রাজনীতিতে কে কি বলল, সব ভুলে গিয়ে নতুন করে সবকিছু শুরু করতে হবে”।

