জগৎ জননী
আমার বাংলা নিজস্ব প্রতিনিধি: সমগ্র বিশ্ব জুড়ে সারদা দেবীর ১৭০ তম জন্মতিথি পালিত হচ্ছে। দেবী সারদা একদিকে আদর্শ গৃহিনী। অন্যদিকে সবার জননী। ভগিনী নিবেদিতা বলেছেন, “মায়ের কৃপা স্নিগ্ধ শান্তির মত সকলের কল্যাণ নিয়ে নেমে আসে….।” সারদা মা আবির্ভূতা হয়েছেন জগতের পরিপালন করার জন্য।
মা জগৎ জননীরূপে মানুষের মাঝে এসেছেন। সকলের মঙ্গল করার জন্য তাঁর আগমন। সারদা দেবীর মুখেই শোনা গিয়েছে,”কে ভাল, কে মন্দ, আমি জানি।” উল্লেখ পাওয়া যায়, যাঁদের কেহ দেখতে পারে না, মা তাঁদেরকেই আপন করে কাছে ডাকতেন। তাঁদেরই বেশি আদর যত্ন করতেন।
মায়ের জন্মতিথিতে মায়ের চরণে আমাদের সহস্র প্রণাম। মা সারদা মর্ত্যে হলেন আবির্ভূতা জগতের কল্যাণ কামনায় । সর্ব জীবের মুক্তির জন্য তাঁর প্রাণ নিবেদিত ছিল। মাতৃত্বের আদর্শ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। ভালো-মন্দ, পাপী-তাপী সকলের সেবাই ব্রত ছিল মায়ের । জপে তপে সাধনায় জীবন ছিল নিবেদিত। ঈশ্বরত্ব প্রমাণের জন্য তাঁকে শাস্ত্রের পাতা উল্টাতে হয়নি । মানুষের প্রতি সেবা দিয়েই পাশে থেকেছেন সারদা দেবী। কখনও কখনও তাঁর কৃপায় সন্তানদের চিত্তে উদ্ভাসিত হয়েছে এক দেবী সত্তা।
জগজ্জননী মহামায়ারূপেও তাঁকে তুলে ধরা হয়েছে। মহাশক্তি জগন্মাতারূপেও পূজিতা হন ঘরে-ঘরে। পল্লী বাংলার মা জগদম্বারূপেও পরিচিতা। তাঁকে আজও বহু মানুষ হৃদয়ের পুজো নিবেদন করেন।লোক চক্ষুর অন্তরালে ছিল মায়ের নিরব সেবা । মানবজীবনে শক্তি জুগিয়ে চলেছে তাঁর চিন্তা-চেতনা। সেই সব গুণেই শ্রী শ্রী মাতা ঠাকুরানি হয়ে উঠেছেন সবার আদর্শ। (চলবে)
(ছবি:সংগৃহীত)

