দেবী “দশমহাবিদ্যা” : মা মুণ্ডমালাশোভিতা
আমার বাংলা নিজস্ব প্রতিনিধি: আমরা বলি আদ্যাশক্তি মহামায়া। অন্যদিকে তিনি জগৎ পালিকা। দশটি দৈবী রূপ রয়েছে দেবীর। এই দশ রূপের প্রকাশ হল-“দশমহাবিদ্যা”। দশ রূপের প্রথম হল কালী। এই রূপে দেবী চতুর্ভুজা-লোলজিহবাধারী ও মুণ্ডমালাশোভিতা। এই রূপ ধারণ করে কালকে হরণ করেছিলেন বলেই তিনি কালী। সাধকেরা বলে থাকেন, অসুরদের অত্যাচারে দেবকূল অতিষ্ঠ হলে কৌশিকী রূপে তিনি আবির্ভূত হলেন। কৌশিকী দেবী রূপে তিনি অপরূপা ছিলেন। অসুররা আক্রমণ করতেই দেবী রুষ্ট হলেন। ক্রোধে মুখমণ্ডল কালো হতে লাগল। কালী আবির্ভূত হলেন ভিন্ন রূপে। বাঙালির কালীর রূপ কল্পনায় উল্লেখ করা হয়েছে দেবী অভয়া ও বরাভয়কারী। তান্ত্রিক সাধক-গুরুরা বলেছেন, কালী হলেন কালস্বরূপা। কালীরূপ হল ভীষণা। শ্যামবর্ণ তাঁর রূপ। বজ্রপাতের মেঘের রং। দেবী হলেন চতুৰ্ভূজা। পরিধান তাঁর ব্যাঘ্রচর্ম। দীর্ঘ দাঁত সামনের দিকে ধাবিত। দুটি চক্ষু রক্তবর্ণ। ডান দিকের ওপরের হস্তে খট্টাঙ্গ। নিম্ন হস্তে চন্দ্রহাস। ক্রোধ থেকেই মায়ের এই রুদ্রমূর্তি। (ছবি:সংগৃহীত)

