Babri caseOthers 

২৮ বছর পরে, আডবাণী-যোশী সহ ৩২ অভিযুক্তকে মুক্তি: বাবরি মামলা

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ বাবরির বিতর্কিত কাঠামো ভেঙে ফেলার ক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত ২৮ বছর পর এই মামলার রায় বেরলো। লখনউএ সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের বিচারক এস কে যাদব ২০০০ পৃষ্ঠার রায় দেওয়ার সময় রাম মন্দির আন্দোলনের বিশিষ্ট প্রমুখ হিসাবে থাকা এল কে আডবানি, মুরালি মনোহর জোশী ও উমা ভারতী সহ ৩২ জন অভিযুক্তকে মুক্তি দিয়েছেন। এই ক্ষেত্রে, ৪৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১৬ জন মারা গিয়েছেন। রায় ঘোষণাকারী বিচারকরা আজ অবসর গ্রহণ করবেন। এই মামলায় কোনও ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যা ঘটেছিল তা আকস্মিকভাবে হয়েছিল এবং কোনওভাবেই এই ঘটনাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল না। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিতর্কিত কাঠামোটি ভেঙে দেওয়ার কোনও সম্পর্ক ছিল না। অজানা লোকেরা বিতর্কিত কাঠামোটি ভেঙেছে। কর সেবকের নামে লক্ষ লক্ষ মানুষ অযোধ্যায় জড়ো হয়েছিল এবং তারা ক্রোধের বসে বিতর্কিত কাঠামোটি ভেঙে দেয়।

অন্যদিকে সিবিআই ৩২ অভিযুক্তের অপরাধ প্রমাণ হাজির করতে ব্যর্থ হয়েছে । অশোক সিঙ্ঘাল কাঠামোটি সংরক্ষণ করতে চেয়েছিলেন কারণ সেখানে মূর্তি সংরক্ষিত ছিল। বিতর্কিত স্থানে রামলালার মূর্তি উপস্থিত ছিল, তাই যদি কর সেবক সেই কাঠামো ফেলে দেয় তবে মূর্তিটি ক্ষতিগ্রস্ত হত। কর সেবকদের ব্যস্ত রাখতে জল এবং ফুল আনতে বলা হয়েছিল। সংবাদপত্রে লেখা জিনিসগুলিকে প্রমাণ হিসাবে বিবেচনা করা যায় না। কেবল ছবি ও ভিডিও প্রমাণ হিসাবে আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছিল। অডিও টেপ এডিট করা হয়েছিল। ভিডিওগুলি টেম্পার্ড ছিল, তাদের মাঝে মাঝে খবর ছিল, তাই তাদের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ হিসাবে বিবেচনা করা যায় না। চার্জশিটে ছবি পেশ করা হয়েছিল, তবে এগুলির বেশির ভাগের নেগেটিভ পেশ করা হয়নি। সুতরাং ফটোগুলিও খাঁটি বলে প্রমাণ করা যায়নি। এক্ষেত্রে বাবরি অ্যাকশন কমিটির আহ্বায়ক ও অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের সদস্য জাফরিয়াব জিলানির বক্তব্য, তাঁরা আদালতের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট নন এবং তাঁরা হাইকোর্টে যাবেন। পাশাপাশি পুনরায় তদন্ত বা বিচারের জন্য সিবিআইয়ের কাছে আবেদনও করবেন বলে জানা গিয়েছে।

Related posts

Leave a Comment