বাংলাকে দুর্গ করেই হবে ভোট গ্রহণ
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: এবার বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন যেন দুর্গ। প্রথম দফার ভোটেই থাকছে বিপুল কেন্দ্রীয় বাহিনী। সোজা কথায় বলতে গেলে “দুর্গের নাম বাংলা”। সূত্রের খবর,মাত্র ৩০ আসনের জন্য ৭০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখা হবে। এককথায় নজিরবিহীন ঘটনা, এমনই ইঙ্গিত। নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হতেই ভোটের বাজনা বেজে গিয়েছে বাংলায়। আরও ২১০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতে চলেছে বঙ্গে,এমনই পূর্বাভাস। প্রথম দফা ভোটের পূর্বেই রাজ্যে মোতায়েন থাকবে ৭০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
এক্ষেত্রে আরও জানা গিয়েছে,ভোট শুরু হওয়ার বেশ কিছুদিন আগে থেকেই বাংলায় রয়েছে প্রায় ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। আভাস মিলেছে মোট ৭০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে হবে বাংলার প্রথম দফার নির্বাচন পর্ব। উল্লেখ করা যায়,প্রথম দফায় বাংলায় ভোট গ্রহণ হবে ৩০টি বিধানসভা আসনে। অন্যদিকে কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের পূর্বে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি। সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী সর্বত্র মজুত রাখা হচ্ছে।
সূত্রের আরও খবর,গত ডিসেম্বর মাসে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর দাবিতে নির্বাচন কমিশনে সরব হয় বিজেপি। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিপর্যস্ত বলেও অভিযোগ সামনে আসে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে স্মারকলিপিও জমা দেওয়া হয়েছে বলে খবর । অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটের লক্ষ্য নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভল্লার সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন নির্বাচন কমিশনের কর্তা-ব্যক্তিরা।
আবার ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন বেশ কয়েকবার কলকাতায় এসেছেন। চিফ ইলেকশন কমিশনার সুনীল অরোরা জানিয়েছিলেন, ‘নির্বাচন কমিশন জানে, কীভাবে এবারের নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে হয়। পাশাপাশি মাও অধ্যুষিত জেলাগুলি যেমন-পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলাগুলিতে প্রথম থেকেই বেশি বাহিনী মোতায়েন করেছে কমিশন।
এ বিষয়ে আরও উল্লেখ করা যায়,গত লোকসভা নির্বাচনে গোটা রাজ্যের জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা ছিল ৭৫০ কোম্পানি। এবার বিধানসভা নির্বাচনে কেবলমাত্র প্রথম দফা ভোটের জন্য পশ্চিমবঙ্গে মোতায়েন থাকছে প্রায় ৭০০ কোম্পানি বাহিনী। রাজ্যে আট দফা ভোটের ঘোষণা করে কমিশন। সবমিলিয়ে বাংলাকে দুর্গ করেই ভোট পরিচালনা হবে, বাস্তবে এমনটাই ঘটতে চলেছে।
আগামী ২৭ মার্চ, শনিবার প্রথম দফার নির্বাচন। বিধানসভা কেন্দ্রগুলি হল- পটাশপুর, কাঁথি-উত্তর, ভগবানপুর, খেজুরি, কাঁথি-দক্ষিণ, রামনগর, এগরা, দাঁতন, নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম, কেশিয়াড়ি, খড়গপুর, গড়বেতা, শালবনি, মেদিনীপুর, বিনপুর, বান্দোয়ান, বলরামপুর, বাঘমুন্ডি, জয়পুর, পুরুলিয়া, মানবাজার, কাশীপুর, পারা, রঘুনাথপুর, শালতোড়া, ছাতনা, রানিবাঁধ ও রাইপুর ।
খবরটি পড়ে লাইক-কমেন্ট ও শেয়ার করে পাশে থাকবেন।

