Chield Work at HomeOthers 

করোনার আবহে শিশু-কিশোরদের মন ভাল রাখার চাবিকাঠি

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : করোনার আবহে প্রায় সাড়ে ৪ মাস অতিক্রান্ত হল গৃহবন্দি জীবন। এই পরিস্থিতিতে মন ভাল থাকার কথাও নয়। আর মন ভাল না থাকলে কোনও কাজই সঠিকভাবে করা যায় না। কীভাবে মন ভাল রাখা যাবে তার জন্য বিশেষ পরামর্শ দিয়েছেন প্রখ্যাত মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ রয়েছে। বাইরে বেরনো, বন্ধুদের সঙ্গে গল্প, খেলাধুলো একপ্রকার বন্ধই। এক্ষেত্রে হতাশ হয়ে পড়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। মনও অশান্ত হয়ে উঠে। বাইরে বেরলে রয়েছে করোনার ভয়। তবে প্রস্তুতির জন্য চলছে অনলাইন ক্লাস। এ সময় মনকে শান্ত রাখাটা জরুরি। এমন কিছু বিষয় রয়েছে সেগুলি মেনে চললে মন অবশ্যই ভাল থাকবে। আর দূর হয়ে যাবে যত হতাশা। এক্ষেত্রে মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানিয়ে চলার মানসিকতা তৈরি করা উচিত। নিজেকে এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে যে-কোনও পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে চলার মানসিকতা তৈরি হয়ে যায়।

তাঁদের আরও বক্তব্য, যুক্তি দিয়ে যে-কোনও পরিস্থিতিকে বুঝতে চেষ্টা করতে হবে। এক্ষেত্রে সবরকম পরিস্থিতিকে সামলানো সহজ ও সম্ভব হয়ে যাবে। গৃহবন্দি থাকলেও ইন্টারনেট পরিষেবা সচল রয়েছে। সিনেমাও দেখা যাচ্ছে। এছাড়া ইন্ডোর গেমও রয়েছে। আবার টিভি চলছেও মায়ের হাতের খাবারও ঠিক পৌঁছে যাচ্ছে। এই সময় সব থেকে বড় কথা, অনিশ্চয়তা থাকলেও সবাই মিলে এক জায়গায় নিরাপদে থাকাও যাচ্ছে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা শিশু-কিশোরদের বিষয়ে আরও জানিয়েছেন, কী করলে ভাল থাকা যাবে, এমন কী কী রয়েছে, যেগুলি করলে মন ভাল থাকবে সেসবের সন্ধান করতেও হবে। খুঁজে বার করা উচিত এমন কিছু, সেসব সময়ের অভাবে অথবা অবহেলার কারণে কখনও করা হয়ে ওঠেনি। এক্ষেত্রে রয়েছে- ছবি আঁকা, গান, আবৃত্তি, বাদ্যযন্ত্র বাজানো শেখা, গল্প ও কবিতা লেখার চেষ্টা প্রভৃতি বিষয়গুলি। এটাই শিখে নিয়ে নিজেকে তৈরি করার সুযোগও রয়েছে। অন্যদিকে বাড়ির কাজে হাত লাগানো, অনলাইনে গল্প করা, পুরনো অ্যালবাম দেখা, সিনেমা দেখা, গান শোনা, বই পড়া-সহ এই সব বিষয় স্ব-নির্ভর হওয়ার পক্ষে আদর্শ। পাশাপাশি বাগানের পরিচর্যা করা, ভাল অভ্যেস তৈরি করা, আকাশ চেনা, তারা দেখা, নিয়ম মেনে শরীরচর্চা প্রভৃতি বিষয়গুলি রয়েছে।

Related posts

Leave a Comment