durga and festivalEntertainment Others 

দেবী দুর্গা অশুভ-বিনাশী মহাশক্তি

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: দেবী দুর্গা মহাশক্তি। প্রাচীন কাল থেকে মায়ের উপাসনা চলে আসছে। সেই শক্তি উপাসনার ফল পেয়ে আসছে জগৎ-সংসার। পণ্ডিত ও শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন,শক্তি-উপাসনার ফলস্বরূপ মহামারীর প্রতিবিধান,ধনাগমের উপায়,আহার-সংস্থান সহ জগতের সার্বিক ফল শুভ হয়। রোগমুক্তি,শান্তি ও মানসিক শক্তির অনুপ্রেরণা দেবী-শক্তি। এই শক্তি-পুজোর উপকরণেও দেবী মায়ের আশির্বাদ বর্ষিত হয়। মা অশুভ-বিনাশী। দেবী দুর্গা অবতীর্ণ হবেন। সব মানুষের জীবন হবে শুভ। জগৎ পালনে দেবী মায়ের দৈব-শক্তি এই শারদ প্রাতে। সাজো সাজো রব বাংলার ঘরে ঘরে। মায়ের আগমনী বেজে উঠছে। মা দুর্গা মর্ত্যে।

পণ্ডিত ও শাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের আরও মত,দেবী দুর্গা আমাদের মাঝে আসেন অশুভ বিনাশী এবং দশপ্রহরণধারিণী হয়ে। দুর্গা মায়ের হাতের শঙ্খ সৃষ্টির প্রতীক হিসাবে চিহ্নিত। পুরাণ মতে, শঙ্খ থেকে উৎপন্ন শব্দ থেকেই প্রাণের সৃষ্টি। আবার সুদর্শন চক্র হল-ব্রম্ভাণ্ডের প্রতীক স্বরূপ। গদা বা দণ্ড হল-আনুগত্য,ভালোবাসা ও ভক্তির প্রতীক। ত্রিশূল হল-ত্রিকাল দণ্ড স্বরূপ। এই ত্রিশূল ত্রিগুণের প্রতীকও। তম:,রজ: ও সত্ব এই তিন গুণের শক্তিই হল ত্রিশূল। ঘন্টা অশুভ শক্তির বিনাশের কাল ঘোষিত হয়ে থাকে। ধনুর্বাণ হল একাগ্রতা ও অন্তরের শক্তি জাগিয়ে তোলে। পাশাপাশি অশনি বা বজ্র- দৃঢ়তা ও সংহতির বার্তা বহন করে। পদ্ম হল-আঁধার থেকে আলোয় উত্তরণের প্রতীক। খড়গ হল-দমন ও পরম মোক্ষের প্রতীক। এটি অভয় প্রদানকারীও। আবার নাগ হল-বিশুদ্ধ চেতনার চিহ্নস্বরূপ। (ছবি: সংগৃহীত) .

Related posts

Leave a Comment