Diamond RingOthers 

হীরের গয়নার রপ্তানি-বাণিজ্যে ব্যাপক প্রভাব পড়ছে

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : সোনার গয়নায় হীরের কারুকাজে ভারতের সুনাম রয়েছে। এই ধরনের গয়নার রপ্তানি-বাণিজ্যে সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে গুজরাতের সুরাত ও মুম্বই। হীরের গয়না তৈরির ক্ষেেত্র বাঙালি কারিগরদের দক্ষতা জানে গোটা দুনিয়া। করোনার আবহে ঘরবন্দি বাঙালি কারিগররা। হীরের গয়নার রপ্তানি-বাণিজ্যে থাবা চিন ও ভিয়েতনামের। করোনা পরিস্থিতির জেরে লকডাউনে বাড়ি ফিরে বড় অংশের কারিগররা আর ফিরতে পারেননি পুরনো স্থানে। এই অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

সূত্রের খবর, বিশ্ববাজারে হীরের গয়না জোগানে সামঞ্জস্য রাখতে পারছে না রপ্তানিকারক সংস্থাগুলি। করোনাজনিত আবহাওয়ায় এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে চলেছে অন্যান্য দেশ। এই অবস্থায় ব্যবসায় থাবা বসিয়েছে চিন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড। জানা গিয়েছে, দেশের যেসব সংস্থা বিদেশে গয়না বিক্রি করে থাকে, তাদের মূল সংগঠনের নাম জেমস অ্যান্ড জুয়েলারি এক্সপোর্ট প্রোমোশন কাউন্সিল। এক্ষেত্রে ওই সংগঠনের বক্তব্য, লকডাউনে গয়না তৈরির কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। আবার অন্যদিকে আনলক পর্বে জুন মাস থেকে শুরু হলেও ১০০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ করার অনুমতি পাওয়া যায়নি। ২৫ শতাংশ কর্মচারী নিয়ে কাজ করার কথা বলা হয়।

সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, করোনা সংক্রমণ পিছনে ফেলে ধীরে-ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। হীরের গয়নার চাহিদাও বাড়তে শুরু করেছে। বরাত পাচ্ছে ভারতও। এক্ষেত্রে অভিযোগ, সরকারি নিয়ম-নীতি ও বিধি-নিষেধ মানতে গিয়ে জোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ওই সংগঠনের সূত্রে জানা যায়, এ কাজে পশ্চিমবঙ্গের কারিগরদেরও বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। কাজের জায়গায় তাঁদের সংখ্যা এখন অতি নগন্য। বেশিরভাগ বাঙালি কারিগররা কাজে যোগ দিতে পারেননি। তাছাড়া সেপ্টেম্বর মাস থেকে শুরু হয় উৎসবের মরশুম। এক্ষেত্রে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত গয়নার চাহিদা থাকে। গোটা বছরের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এমনই আশঙ্কা হীরের গয়না রপ্তানিকারীদের।

Related posts

Leave a Comment