দুর্গা প্রতিমার বায়না নেই-উদ্বেগে কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীরা
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক:দুর্গাপুজোর আর মাত্র ৩ মাসের মতো বাকি। তবে কুমোরটুলির ব্যস্ততার ছবি দেখা যাচ্ছে না। করোনার প্রভাব রয়েছে এখনও। প্রতিমার বায়না নেই। করোনার থাবা সমাজ ও অর্থনীতিকে ধাক্কা দিয়েছে। বাঙালি সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজোরও একই অবস্থা। কুমোরটুলি সূত্রের খবর, অনেক মৃৎশিল্পী কাজই শুরু করেনি। মোদ্দা কথা,বায়না হয়নি ঠাকুরের। যেসব মৃৎশিল্পী ছোট ও মাঝারি পুজো কমিটিগুলোর বরাত পেয়ে থাকেন,তাঁরা এখনও অপেক্ষায় রয়েছেন।
কুমোরটুলি সূত্রে আরও জানা যায়,প্রতি বছরই কুমোরটুলিতে দুর্গা প্রতিমার বায়না আসে দোলপূর্ণিমা, পয়লা বৈশাখ ও অক্ষয় তৃতীয়ার দিনগুলিতে। এ বছর বিধানসভা নির্বাচন,করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ সহ বিভিন্ন আবহে খুব কম বায়না এসেছে। আবার মে মাসের শুরু থেকে টানা লকডাউনের কারণে পুজো উদ্যোক্তারা নাকাল হয়েছেন। বায়না করতে যেতে পারেননি। অল্প হলেও অনেক পুজো কমিটির পক্ষ থেকে বায়না করে যাচ্ছে। পাশাপাশি মৃৎশিল্পীরা মনে করছেন রথের দিন অনেক পুজো কমিটি ঠাকুরের জন্য বায়না করে যাবেন। এবার অনেক কম বাজেটে ঠাকুর চাইছেন পুজোর আয়োজকরা।
ছোট এবং মাঝারি পুজো কমিটিগুলো বাজেট এবার অনেক কমিয়ে দিচ্ছে বলেও মৃৎশিল্পীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে করোনা কালে দীর্ঘকাল ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থা খারাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে পুজোর আয়োজক সূত্রে জানানো হয়েছে। এক্ষেত্রে আয়োজকদের বক্তব্য,গত বছর থেকেই বিজ্ঞাপনের বাজার খারাপ । ডোনেশন আর চাঁদার উপর নির্ভর করেই বেশিরভাগ পুজো হয়ে থাকে । গত বছর পুজোর জন্য ৫০ হাজার টাকা অনুদান পাওয়া গিয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে । গত বছর আলোক সজ্জা-সহ অন্যান্য খরচও কমানো হয়। এবার চাঁদা ও ডোনেশন নিয়ে চিন্তা বেড়েছে পুজো কমিটিগুলির ।

