শক্তিরূপে দেবীর আবির্ভাব
কলকাতার বুকে কাশফুল কই! গ্রামাঞ্চলে কাশফুল দেখে দুর্গাদেবীর আগমন ঘটছে বোঝা যায়। শরতের নীল-সাদা মেঘ ভেসে বেড়াতে দেখা যায় । বাগানে শিউলি ফুটেছে। প্রকৃতি বদলেছে দেখেই বোঝা যায়, দুর্গা মায়ের আগমনী বার্তা।পুজো ঘিরে অজস্র ভালো লাগা। পিতৃপক্ষের অবসানের পর দেবীপক্ষের সূচনা হল। ঠাকুমার আমলে ভোরবেলায় রেডিওতে-“মহিষাসুরমর্দিনী” । পুজোর সাজ মানেই তার অভিনবত্ব। নারীদের শাড়ি আর সাজগোজ। বাজারে রয়েছে পুজোর অফার। মা দুর্গা শক্তি। শক্তিরূপে তাঁর আবির্ভাব। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব।
বাঙালির চোখে দুর্গা দেবী ত্রিনয়নী। মায়ের আগমনে স্বর্গ হতে দেবতাগণের শঙ্খধ্বনি। ব্রহ্মচারিনী নামে তুমি খ্যাত কৈলাশ পর্বতে। জগত্তারিনী রূপে পূজিত হন তিনি। এ ধরণীতে চন্ড মূন্ড বধে দেবী হলেন চামুণ্ডা। দেবী কোথাও তিনি হলেন উগ্রচন্ডা। আবার বৃদ্ধাবেশে দেবী মাতা হলেন ঘুমাবতী। খর্গধারিণী রূপে দেবী হলেন হৈমবতী। ব্রহ্মান্ডের ত্রাণে দুর্গা হলেন ত্রিশুলিনী। নারায়ণী দেবী লক্ষী স্বরূপিণী তিনি। অশুভনাশিনী দেবী মহিষাসুরমর্দিনী।

