শারদ আকাশে ভিন্ন অনুভূতি : ঢাকিদের উপার্জনে অন্তরায়
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। শরতের আকাশে এক ভিন্ন অনুভূতি। নদীর তীরে কাশফুল ফুটেছে। শিউলির গন্ধে চারিদিক মাতোয়ারা। উল্লেখ করা যায়,গত দু-বছর করোনা আবহের কারণে জাঁকজমক করে দুর্গাপুজো উৎযাপন করা সম্ভব হয়নি। এ বছর পুজো কমিটিগুলি বিশেষভাবে সক্রিয় পুজোর আড়ম্বর বাড়ানোর ব্যাপারে। ফের পুরনো ছন্দে ফিরেছে মানুষের জীবন যাত্রা। তবে বৃষ্টি বেশ কিছুটা ব্যাঘাত ঘটিয়ে চলেছে।
এবছর কোনও খামতি রাখতে নারাজ পুজোর আয়োজকরা। শারদ উৎসবে ঢাকের বাজনা শুনলে বাঙালির মনে এক উন্মাদনা তৈরি হয়। ঢাকের তালে কোমর দুলে ওঠে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঢাকিদের ব্যস্ততা বেড়েছে। ঢাকের মেরামতির কাজ সেরে নিচ্ছেন তাঁরা। করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে এবার পুজোয় বায়না পাওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছেন এই পেশার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা।
এ বিষয়ে ঢাকিদের বক্তব্য, ঢাকি পরিবারের উপার্জনের উপায় একমাত্র পুজোর মরশুমে ঢাক বাজানো। আগত প্রায় দুর্গাপুজোকে ঘিরে আশায় বুক বাঁধছেন এই সব পেশার মানুষ। এক্ষেত্রে তাঁদের অভিযোগের সুরও শোনা গেল। বর্তমান সময়ে ঢাকিদের উপার্জনের রাস্তায় বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউটিউবের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। একাধিক পুজোর আয়োজকরা ঢাকিদের বায়না কমিয়ে দিচ্ছেন এই যান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর দাঁড়িয়ে । সব মিলিয়ে এই দুর্গাপুজোর দিকে পাখির চোখ করে রয়েছেন ঢাক-ঢোল-কাসি বাজানো মানুষজন। (ছবি: সংগৃহীত)

