ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরে দেবী শক্তির আরাধনা
কার্তিকী অমাবস্যায় হবে দেবী শক্তির আরাধনা। এই কালীপুজো দীপান্বিতা কালীপুজো নামেও পরিচিত। আলোর উৎসবে মাতোয়ারা হবে গোটা বাংলা থেকে ত্রিপুরা।সেই আবহে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু মাতারবাড়ি ত্রিপুরেশ্বরী মন্দির।এটি ৫১সতীপীঠের অন্যতম বলে পরিচিত। মহারাজা ধন্য মানিক্য ১৫০১ খ্রিষ্টাব্দে ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির স্থাপন করেছিলেন। দীপাবলিকে কেন্দ্র করে ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে চলেছে তারই জোর প্রস্তুতি। এই মন্দিরে দেবী প্রতিমা কষ্টি পাথরে নির্মিত। ত্রিপুরার গোমতী জেলার উদয়পুর মাতারবাড়িতে ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দিরের জনপ্রিয়তা এখন গোটা দেশে। ৫২০ বছরের পুরনো এই মন্দিরকে ঘিরে প্রতিবছর দীপাবলি উৎসব ও মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। এখানে দেবীর মূর্তি উচ্চতায় এক মিটার ৫৭ সেন্টিমিটার। প্রস্থ ৬১ সেন্টিমিটার।
স্থানীয়ভাবে জানা যায়,১৯৪৯ সালে ত্রিপুরা রাজ্য ভারতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। সেই সময় থেকেই তৎকালীন ত্রিপুরার রানী কাঞ্চন প্রভাদেবী শর্ত রেখেছিলেন,কয়েকটি মন্দির পরিচালনার ভার সরকারকে নিতে হবে।
এরপরই রাজ্য সরকার ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১৮ সালে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর মাতাবাড়ি মন্দির পরিচালনার জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করে রাজ্য সরকার। সরকারের অধীনে মন্দিরের কাজ হলেও রাজ পরিবারের এখনকার প্রতিনিধি প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মনের নামে পুজোর অর্ঘ্য আহুতি নিবেদিত হয়। (ছবিঃ সংগৃহীত)

