শিশু-কিশোরদের মোবাইল নেশা, দিশেহারা অভিভাবক : কিছু টিপস
বাড়িতে শিশু-কিশোরদের মোবাইলের নেশা। কি করবেন তা নিয়ে দিশেহারা হয়ে উঠছেন অভিভাবকরা। এক সপ্তাহের মধ্যে মোবাইলের নেশা কিভাবে কাটাবেন তার কিছু টিপস আমরা দিতে পারি অবশ্যই গুরুত্ব দিয়ে শুনুন। ছোটদের মোবাইল ব্যবহারে তার অত্যাধিক রেডিয়েশন ব্রেনের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। আর অকালে নষ্ট হয়ে যেতে পারে চোখও। ফোন অ্যাডিকশন কমানোর জন্য বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য হল -ছোটরা বা শিশু-কিশোররা যা দেখে তাই শিখতে চেষ্টা করে । বাবা-মাকে মোবাইল ব্যবহার করতে দেখে তাদেরও এই যন্ত্রের প্রতি আগ্রহ জন্মে যায় । ধীরে ধীরে ছোটরাও মোবাইলকে নিজেদের সঙ্গী করে নিচ্ছে । মোবাইল ছাড়া খাবার খাওয়ার প্রতিও অনীহা বাড়ছে শিশু-কিশোরদের। মোবাইল ফোন তুলে দিলেই তবেই মুখে উঠছে খাবার। আর সেই সাথে অভিভাবকরাও তাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন মোবাইল ফোন।
নিয়মিত মোবাইল ব্যবহারের কারণেই পড়াশোনায় অমনোযোগী ও আচার ব্যবহারের সমস্যা বাড়ছে। আবার শারীরিক সহ নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে শিশু-কিশোররা। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হল- বকাঝকা না করে কয়েকটি সহজ পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। মা-বাবা বা অভিভাবকরা মোবাইল ব্যবহার করবেন না বাচ্ছা বা শিশু-কিশোরদের সামনে। সন্তানকে নিয়ে তার ছোটবেলার দিনগুলিতে ফিরে যেতে চেষ্টা করুন। শিশু-কিশোরদের শৈশবকে চার দেওয়ালের মধ্যে আটকে রাখবেন না। শরীর চর্চা করা সহ ফুটবল-ক্রিকেট খেলুন তাদের সঙ্গে । বন্ধুত্বের পাঠ দেওয়াটা জরুরি। মনে রাখতে হবে,শৈশব হল- কাঁচা মাটি। আপনি যেমন ইচ্ছা গড়ে নিতে পারবেন। মোবাইল ছেড়ে তাদের বন্ধুদের সাথে মিশতে শেখানোটা খুবই জরুরি। ছোটরা কল্পনা প্রবণ হয়ে থাকে তাই একদম ছোট বয়স থেকেই বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করে দিতে চেষ্টা করুন। ছোটদের গল্পের বই পড়লে মন অন্যদিকে যাবে না,মোবাইলের আসক্তি কমবে। আঁকা, গান, আবৃত্তি, নাচ সহ বিভিন্ন শিল্প কলার সঙ্গে শিশু-কিশোরদের ব্যস্ত রাখুন। এই সব নিয়ম মেনে চললেই আপনার সন্তানের অতিরিক্ত মোবাইল আসক্তি কমবে।

