drmmersOthers 

বায়না না পাওয়ায় দুঃশ্চিন্তা বেড়েছে গ্রামের বেশিরভাগ ঢাকিরই

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: পুজো এসে গিয়েছে , তবে বায়না নেই। উপার্জন নেই তাই মনও ভালো নেই। স্থানীয় সূত্রের খবর,গৌরবাজারের ঢাকি পাড়ায় করোনার ধাক্কায় এখন অসহায় পশ্চিম বর্ধমানের লাউদোহার ঢাকি পরিবারগুলি। বিশ্বকর্মা পুজো আগত। দুর্গাপুজোরও আর বিশেষ বাকি নেই। ওই পরিবারগুলোর হাতে ঢাকের বোল রয়েছে। তবে বাজনা বাজিয়ে বোল তোলার মতো পরিস্থিতি নেই এবার। স্থানীয় সূত্রের আরও খবর,এরআগে রথের সময় থেকেই বায়না চলে আসত। করোনা আবহে এবার সব বন্ধ।পশ্চিম বর্ধমানের লাউদোহায় গৌরবাজার ঢাকি পাড়া বলেই সবাই চেনে ও জানে। গ্রামে বসবাস করে প্রায় ২০০ ঢাকি।তাঁদের হাতে কাজও নেই। দীর্ঘ কয়েক মাস কোনও বায়না নেই। বিশ্বকর্মা পুজো থেকে হাল ফেরার আশা দেখেছিলেন ঢাকিরা। তবে বায়না না পাওয়ায় দুঃশ্চিন্তা বেড়েছে গ্রামের বেশিরভাগ ঢাকিরই। ।

ওখানকার বেশিরভাগ ঢাকিদের বক্তব্য, দুর্গাপুজোর অপেক্ষায় থাকি সারা বছরই। এই সময় আমাদের চাহিদা থাকে বেশি । উপার্জনও ভালো হয়। তবে এ বছর অনেক শিল্পীই এখনও বায়না পাননি । দুর্গাপুজোয় এবছর ডাক পাওয়ার সম্ভাবনাও অনেক কম। এ বিষয়ে আরও জানা গিয়েছে,লাউদোহার উত্তরপাড়া, দক্ষিণপাড়া ও বাদ্যকর পাড়ায় ঢাকিদের ব্যস্ততাও নেই। নতুন করে ঢাক বাঁধার হিড়িক চোখে পড়ছে না। সারা বছর সংসার চলবে কীভাবে, তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।


ঢাকিপাড়ার অনেকেই পারিবারিকভাবে এই পেশায় যুক্ত। অন্য কোনও কাজও নেই। করোনার জেরে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ঢাকিদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গৌড়বাজার গ্রামের ২০০টি শিল্পী পরিবারের মধ্যে ৬০টি পরিবার রাজ্য সরকারের ভাতা পেয়ে থাকেন।অন্যান্য পরিবারগুলি যাতে এই সুবিধা পেতে পারেন সেই উদ্যোগ নেওয়া শুরু হয়েছে।পুজোর আয়োজন শুরু রাজ্যে। মা দুর্গার কৃপাদৃষ্টি পড়ার অপেক্ষায় রয়েছেন সেখানকার ঢাকিরা।

Related posts

Leave a Comment