নন্দীগ্রামে “হাড্ডাহাড্ডি লড়াই”-মত বিশ্লেষকদের
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: তীব্র তাপপ্রবাহ ও আর্দ্রতা ছিল। সেই অস্বস্তি উপেক্ষা করে ভোট হল দ্বিতীয় দফার । গোটা দেশের মানুষের সবার লক্ষ্য ছিল- নন্দীগ্রাম। বিক্ষিপ্ত অশান্তি হয়েছে ভোটে । নন্দীগ্রামের মাটিতে ভোট উৎসবে উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া। উপস্থিত ছিল গোটা দেশের সংবাদ মাধ্যম।
বিজেপি প্রাথী শুভেন্দু অধিকারী সকালেই বলেছিলেন, “তিনি আশা করছেন ৮৫ শতাংশ ভোট পড়বে এবং যদি তা হয় তবে মনে করতে হবে মানুষও পরিবর্তনের পরিবর্তন চাইছে”। তবে ৮০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে নন্দীগ্রামে। উল্লেখ করা যায়,নন্দীগ্রামের মোট ভোটার ২ লক্ষ ৫৭হাজার ১৫৬ জন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা গিয়েছে, ভোট দিয়েছেন ২ লক্ষ ৫ হাজারের বেশি মানুষ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, শুভেন্দুর কথা অনুযায়ী এমনটা হলে গেরুয়া শিবিরের জয় নিশ্চিত।
অন্যদিকে পর্যবেক্ষকদের আরও মত, শুভেন্দুৃ-মমতার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা যথেষ্ট রয়েছে। কাউকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না এই লড়াইয়ে । মূল কথা হল- “হা়ড্ডাহাড্ডি লড়াই”। শুভেন্দু অধিকারী যদি জয়ী হন, তাহলে তা হবে মেরুকরণ তাস। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ী হলে, তা হবে মহিলা এবং সংখ্যালঘু ভোটের ফসলে। নন্দীগ্রামে আজ মহিলা ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে কার ঘরে কী ফসল জমা হয়েছে, তা জানা যাবে ২ মে। কচ্ছপগতিতে চলতে চলতে নন্দীগ্রামে তৃণমূল হঠাৎ কিস্তিমাত করলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী জানা যায়, দুপুর ১টা নাগাদ তৃণমূল নেত্রী বের হন রেয়াপাড়ার বাড়ি থেকে। বয়ালের ৭নম্বর বুথে তাঁর গন্তব্য। বুথ দখলের অভিযোগ এসেছে। ৩৫৫টি বুথের মধ্যে একটি বুথে এই খবর। সুযোগটা কাজেও লাগালেন। দু-ঘণ্টা বসে রইলেন এক জায়গায়। বাইরে তখন দু-পক্ষের মধ্যে রণক্ষেত্র। তৃণমূল নেত্রী কথাও বললেন রাজ্যপালের সঙ্গে। দায়িত্বে থাকা আইপিএস-এর সঙ্গেও কথা বলেছেন। বাকি সময়টা নিশ্চিন্তে ভোট হবে এই প্রতিশ্রুতি নিয়ে বয়ালের মাটি ছাড়লেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, একদিকে ভোটাররা চাঙ্গা হল,অন্যদিকে তাঁর প্রতিটি অভিযোগ সর্বভারতীয় গণমাধ্যমের প্রচারে এল। সারাদিন ধরে বুথে বুথে ঘুরলে এই প্রচার তিনি পেতেন না,এটা বলাই যায়। সব মিলিয়ে আম-জনতা তাকিয়ে ফলাফলের দিকে।
খবরটি পড়ে ভালো লাগলে লাইক-কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।

