নির্বাচনী পরিক্রমা- আজকে উত্তর শহরতলি
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : বাংলার ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ৮ দফা ভোটগ্রহণ পর্ব চলবে। ২৯৪ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভা নির্বাচনে এবার ভোটগ্রহণ কেন্দ্র সংখ্যা ১ লক্ষ ১ হাজার ৯১৬টি। একুশের এই নির্বাচনে জেলাওয়াড়ি একঝলক ভোট- চিত্র তুলে ধরছি আমরা।
এবারে উত্তর শহরতলি। এখানে আসন সংখ্যা মোট ৫টি। নির্বাচনী নির্ঘন্ট- পঞ্চম দফা (১৭ এপ্রিল) এই দফায় ৪টি কেন্দ্রে ভোট হবে। কেন্দ্রগুলি হল- বিধাননগর, রাজারহাট-গোপালপুর, রাজারহাট-নিউটাউন ও দমদম। আবার ষষ্ঠ দফা (২২ এপ্রিল) ভোট হবে দমদম (উত্তর) কেন্দ্রটিতে।
গত বিধানসভা নির্বাচনে যে চিত্র ছিল তা একনজর। বিধানসভা কেন্দ্র ও বিজয়ীরা হলেন- বিধাননগর- সুজিত বসু (তৃণমূল), রাজারহাট-গোপালপুর- পূর্ণেন্দু বসু (তৃণমূল), রাজারহাট-নিউটাউন- সব্যসাচী দত্ত (তৃণমূল), দমদম- ব্রাত্য বসু (তৃণমূল) এবং দমদম (উত্তর)- তন্ময় ভট্টাচার্য (সিপিএম)।
উল্লেখ করা যায়, রাজারহাট-নিউটাউনের প্রার্থী বিজেপি-তে যোগ দিয়েছেন।
জেলা-পরিক্রমা করে স্থানীয় মানুষদের যে দাবি উঠে এসেছে তা হল- গঙ্গা থেকে আসা পানীয় জলের প্রকল্প, বেলঘরিয়া ও কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের সংযোগ-সহ কয়েকটি বিষয় রয়েছে। রাস্তার সংস্কারের বিষয়ও রয়েছে। উত্তর দমদম পুর হাসপাতাল-সহ বিভিন্ন পরিষেবা রয়েছে। বিধাননগরের উন্নয়ন এবং মশা দমনে ব্যবস্থার বিষয়টি সামনে এসেছে। দমদম রোডে যানজট নিয়ন্ত্রণ-সহ হাতিয়ারা, বাগুইআটি, কেষ্টপুর ও কৈখালির নর্দমার বিষয়টি রয়েছে।
উল্লেখযোগ্য দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে- নিউটাউনের উন্নয়ন, ফ্লাইওভার-সহ ভিআইপি রোডের সম্প্রসারণের বিষয়টি রয়েছে। ভিআইপি রোডে সাবওয়ে নির্মাণ, কেষ্টপুরে পানীয় জল, বাঙুরে জলপ্রকল্প, বিধাননগরে পরিশ্রুত পানীয় জল প্রকল্প ও জঞ্জাল পৃথকীকরণ প্রকল্পের বিষয় আলোচনায়। জোড়ামন্দির-রাজারহাটে রাস্তা সংস্কার ও আন্ডারগ্রাউন্ড ড্রেনের ব্যবস্থার বিষয় রয়েছে। দক্ষিণ দমদমে হাসপাতাল, ভিআইপি রোড, শ্রীভূমি, বাঙুর ও বিধাননগর পুর এলাকায় সৌন্দর্যায়নের বিষয়টি সামনে এসেছে। পাথরঘাটা ও রাজারহাটে কর্মতীর্থ ও স্ব-নির্ভর গোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের বিষয় রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উন্নয়ন হলেও আরও উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে। বেকারত্ব রয়েই গিয়েছে। কর্মসংস্থানের প্রসার প্রয়োজন রয়েছে বলে অভিমত।
উত্তর শহরতলির বিভিন্ন প্রান্তে খোঁজ-খবর নিয়ে আমাদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন মানুষের বিভিন্ন অভিযোগও। দুর্নীতির বেশ কয়েকটি অভিযোগ সামনে এসেছে। কর্মসংস্থান বাড়েনি বলেও অভিযোগ। কাজের তাগিদে ভিনরাজ্যে চলে যাওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে। জেশপ কারখানা বন্ধ নিয়ে আলোচনাও প্রকাশ্যে। সব মিলিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচার তুঙ্গে।
খবরটি পড়ে ভাল লাগলে লাইক-কমেন্ট ও শেয়ার করে পাশে থাকবেন।

