কর্তব্যবোধের নয়া দৃষ্টান্ত
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : বিপর্যস্ত পরিস্থিতি। সর্বত্র লকডাউন। কর্তব্যবোধের নয়া দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সঞ্জিতবাবু। পোস্টমাস্টার সঞ্জিত হালদার ভোরে গড়িয়া থেকে সাইকেলে রওনা হন নদিয়ায়। সূত্রের খবর, গড়িয়া থেকে কৃষ্ণনগরের দূরত্ব প্রায় ১২০ কিলোমিটার। কৃষ্ণনগর থেকে দেবগ্রাম আরও ৪০ কিলোমিটার। গত ৩ এপ্রিল তাঁর ডাকঘর খুলেছে। দিনে প্রায় ৩০০ গ্রাহক আসেন নদিয়ার দেবগ্রামের ওই ডাকঘরে। ভোর থেকে প্যাডেল ঘুরিয়ে এক সময়ে অসুস্থ বোধ করেন সঞ্জিতবাবু। বারাসত, কল্যাণী ও শান্তিপুর হয়ে যখন তিনি কৃষ্ণনগরে পৌঁছন তখন সন্ধ্যা নেমে এসেছে। এরপর পুলিশ তাঁকে সাইকেল সমেত ফাঁকা আনাজের গাড়িতে তুলে দেন। তিনি অফিসে হাজির হন। সবাই বারণ করলেও তিনি তা শোনেননি। নিজের দফতরে বসে সঞ্জিত হালদার জানিয়েছেন, গরিব গ্রাহকেরা ভাতার জন্য আসছেন। ওই টাকাটা না-পেলে তাঁদের হাত পাততে হবে। তাই চলে এলাম। ডাক বিভাগের নদিয়া উত্তর ডিভিশনের সুপার কাশীনাথ ঘোষ জানালেন, কর্তব্যবোধ কাকে বলে, তা ওঁকে দেখে শেখা উচিত।

