উপার্জনের আশা নিয়ে নদী -দূষণ রোধ স্থানীয় যুবকদের
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: প্রতিমা বিসর্জন হয়ে যাওয়ার পর কাঠামো তুলে নিয়ে নদীর দূষণ রোধ করছে স্থানীয় বাসিন্দারা। সূত্রের খবর, করোনা কালে দীর্ঘ লকডাউন পর্বের পর আর্থিক সংকটে জেরবার বহু মানুষ। রায়গঞ্জ এলাকার অনেক মানুষ অভাবের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সূত্রের আরও খবর, কিছু উপার্জনের আশা নিয়ে নদী দূষণ রোধ করছেন স্থানীয় কয়েকজন যুবক। রায়গঞ্জের দুটি নিরঞ্জন ঘাট বন্দর এবং খরমুজাঘাটের এই দৃশ্য চোখে পড়বে।প্রতিবছরই জলে নেমে প্রতিমার কাঠামো সংগ্রহ করেন তাঁরা। দশমীর প্রতিমা বিসর্জন পর্ব সমাপ্ত। রায়গঞ্জ পুরসভার পক্ষ থেকে ঘাটগুলিতে প্রতিমা নিরঞ্জনের উপযোগী করে রাখা হয়েছিল।উল্লেখ্য, বিভিন্ন ক্লাব এবং বারোয়ারি পুজোর প্রতিমা নদীতে নিরঞ্জন হয়ে থাকে। নদীতে প্রচুর প্রতিমা নিরঞ্জন হয় তা না সরালে দূষণ বাড়তে থাকে। এই কাঠামো ও খড় নদীতে থাকলে নদীর জল দূষিত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। নদী দূষণের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য নদীর জলে ওই যুবকদের লড়াই চলে।এক্ষেত্রে যে আগে কাঠামো ধরবে তারই প্রাপ্য হবে সেটি। প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় ওঁরা নদীর জলেই থাকে। স্থানীয় সূত্রের খবর,প্রতিমাগুলোকে জলে রেখে দেওয়া হয়। পরে সেই প্রতিমার কাঠামোগুলো জল থেকে তুলে আনার প্রক্রিয়া চলে। বিসর্জনের পর কাঠামোগুলি বিক্রি করে হাতে চলে আসে কিছু অর্থ। নদী সংলগ্ন এলাকায় বাড়ি হওয়ার জন্য বর্ষার সময় নদীর জলস্রোতে বাড়িঘর ভেঙ্গে যায়। ওই কাঠামোর কাঠ দিয়ে বাড়ি সারাই পর্বও চলে। এছাড়া কাঠামো বিক্রি করে কিছু অর্থও উপার্জন হয়। বছরের এই দিনের অপেক্ষায় থাকেন স্থানীয় বেশ কয়েকজন।

