স্থান বদল প্রাচীন শেওড়াফুলি হাটের
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : শতাব্দীপ্রাচীন শেওড়াফুলি হাট সরে যাচ্ছে বৈদ্যবাটিতে। পুরনো অবস্থান থেকে শেওড়াফুলি হাটকে দিল্লি রোডের ধারে বৈদ্যবাটি শাসমলপাড়া এলাকায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। করোনা সংক্রমণ আবহে জারি হওয়া সরকারি নির্দেশিকায় কলকাতা হাইকোর্ট সবুজ সংকেত দিয়েছিল। তারপর এই অবস্থান।
স্থানীয় সূত্রের খবর, প্রশাসনের নির্দেশে রেল স্টেশনের পাশে থাকা ওই হাট সরানোর জন্য গত বছরের ২৩ এপ্রিল শ্রীরামপুরের এসডিও চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটকে একটি মেমো পাঠানো হয়। এরপর আবার ২২মে আরও একটি মেমো মারফত সেখানকার ব্যবসায়ী ও কমিশন এজেন্টদের লাইসেন্স নবীকরণ সম্পর্কে উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছিল।
উল্লেখ করা যায়, এই দুই মেমো চ্যালেঞ্জ করে শেওড়াফুলি কাঁচা সব্জি ব্যবসায়ী সমিতি ও অন্যরা। প্রশাসনের কার নির্দেশে ও কোন আইন অনুযায়ী প্রথম মেমো জারি হয়েছে তা নিয়ে মামলায় প্রশ্ন ওঠে। আবার রোগ সংক্রমণ বিরোধী প্রয়াস হলে তা সাময়িক ব্যবস্থা হতে পারে। তবে প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো হুগলির বৃহত্তম ও রাজ্যের দ্বিতীয় বৃহৎ ওই হাট থেকে সবাইকে পাকাপাকি সরানোর চেষ্টা কেন করা হচ্ছে, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্নও ওঠেছে। এছাড়াও সরকারি গেজেটে এই ব্যাপারে কোনও নির্দেশিকা জারি না করে কোনও নতুন জায়গাকে বাজার ঘোষণা করা যায় না বলে একাংশের মতামত ।
স্থানীয় সূত্রের আরও খবর, এই মামলায় অনেকে যুক্ত হয়ে আদালতকে জানিয়েছেন, বহু বিক্রেতা ইতিমধ্যেই পুরনো ওই হাট থেকে নতুন জায়গায় চলে গিয়েছেন। ঘিঞ্জি পরিবেশে ৪.৫ একর জায়গার পরিবর্তে নয়া বাজারটি ৩৮.৫ একর জায়গা নিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য তাঁর রায়ে জানিয়েছেন, হুগলি জেলার মধ্যেই বাজারটি স্থান বদলে আইনি সমস্যা নেই। তথ্য অনুযায়ী, নতুন জায়গাটি শেওড়াফুলির তুলনায় সব দিক থেকে অনেক ভালো।

