সংক্রমণ বাড়লে মন্দার আশঙ্কা
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : দেশে ফের করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। দেখা যাচ্ছে, অর্থনীতির বাজারে মন্দার আশঙ্কাও। পাশাপাশি ২০২০ আগস্ট মাস থেকে ধীরে ধীরে কারখানাগুলি বন্ধ হতে শুরু করে। তারপর লকডাউনের অন্ধকার পেরিয়ে আবার নতুন করে শিল্পোৎপাদনের হার বাড়তে শুরু হয়। আবার অক্টোবর মাস থেকে বৃদ্ধি হয়েছে জিএসটি। বাজারে কেনাকাটার পরিমান বৃদ্ধি পায়। উল্লেখ্য, বিগত ৫ মাস ধরে ঊর্ধগামী জিএসটি সংগ্রহের হার। মার্চ মাসে হয়েছে সবচেয়ে বেশি। যা ১ লক্ষ ২৩ হাজার কোটি টাকা। ভারতের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস মিলেছে। দেশি ও বিদেশি অর্থনীতি নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,২০২১ সালের আর্থিক বছরের শেষেই ভারতের জিডিপি হতে চলেছে প্রায় সাড়ে ৮ থেকে সাড়ে ১০ শতাংশ।
অন্যদিকে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নীতি নির্ধারণ কমিটির বৈঠক। ওই বৈঠকে রেপো রেট নির্ধারিত করা হবে। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কী ভাবনা-চিন্তা করছে তারও ইঙ্গিত মিলবে। নতুন আর্থিক বছর শুরু এই পরিস্থিতিতে আবার করোনার সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সেই মতো কারখানা উৎপাদনের হ্রাসগতিও সামনে আসার সম্ভাবনা। প্রসঙ্গত, মার্চ মাসে দেশের কারখানা উৎপাদনের বৃদ্ধির হার অনেকটাই কমে গিয়েছে। আবার দেশ ও বিদেশের থেকে অর্ডার ও চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে।
উল্লেখ করা যায়, উৎপাদন শিল্প কতটা এগিয়েছে, তা বিচার বিশ্লেষণ করার জন্য সূচকের ব্যবহার করা হয়, যার নাম- ‘পার্চেসিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স’। একটি বেসরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে ওই সূচকের হিসেবে-নিকেশ করা হয়। এক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে তা কমে ৫৫.৪ হয়েছে। অর্থনীতিবিদরা এতে সন্তোষ প্রকাশ করেননি। এক্ষেত্রে তাঁদের আশঙ্কা, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির ফলে উৎপাদন খরচও বাড়ার সম্ভাবনা থাকছে। চলতি এপ্রিল মাসে পরিস্থিতি আরও সঙ্কটময় হতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতির বিশেষজ্ঞরা।
রাজ্যে আবার করোনার প্রকোপ বাড়তে থাকলে সমস্যা আরও বাড়বে এমনটাই আন্দাজ করা যাচ্ছে।

