Drinking Water-1Others 

আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জল প্রকল্পের কাজ শেষ করা নিয়ে উৎকণ্ঠা

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে কাজ করতে তৎপর পিএইচই। আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জল প্রকল্পের কাজ শীঘ্রই শেষ করার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করেছে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল। প্রসঙ্গত, উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় এই কাজে বিশেষভাবে নজর দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে নড়েচড়ে বসেছে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর (পিএইচই)। তবে এই কাজ বাস্তবায়নের জন্য অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে কর্মীর অভাব। আবার সময়ে কাজ শেষ করা নিয়ে উৎকণ্ঠায় রয়েছেন ইঞ্জিনিয়ারদের একটা বড় অংশ।

সূত্রের আরও খবর, দপ্তরের কর্মীর সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়েছে স্টেট পাবলিক হেলথ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশন। এক্ষেত্রে তাঁদের বক্তব্য, রাজ্যজুড়েই আর্সেনিকমুক্ত জল প্রকল্পের কাজ চলছে। কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৫ বছর। কাজের পরিধি ও বরাদ্দকৃত অর্থের নিরিখে দপ্তরে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা অন্যান্য দপ্তরের তুলনায় অনেক কম। এক্ষেত্রে আরও জানানো হয়েছে, পূর্ত দপ্তরের জন্য বছরে বাজেট বরাদ্দ ৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। ইঞ্জিনিয়ার রয়েছেন ১৫ জন। তাঁদের মধ্যে ১৩ জন সিভিল।

অন্যদিকে সেচ দপ্তরের বাজেট ৩ হাজার ৪২৯ কোটি টাকা। ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা ১১ জন। আবার জলসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের বছরের বাজেট ১ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা। ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা ৬ জন। পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য চলতি আর্থিক বছরে বাজেট ধরা হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৩৬৯ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে মাত্র ৮ জন ইঞ্জিনিয়ার। যার মধ্যে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা ৬ জন। এক্ষেত্রে বরাদ্দ অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ার পিছু ব্যয়ের বহর প্রায় ৪২২ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে একজন ইঞ্জিনিয়ারের পক্ষে বছরে এত পরিমাণ টাকা ব্যয় করা সম্ভব নয় বলে জানানো হয়। যার কারণে বিভিন্ন প্রকল্প সামলানো মুশকিল হচ্ছে। নবান্নের কাছে সংগঠনের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে, প্রকল্পগুলি শীঘ্রই শেষ করার জন্য জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরে ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।

Related posts

Leave a Comment