কবিতা যেন সৌমিত্রের কলমে ও কন্ঠে
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: সৌমিত্র ও কবিতা একসূত্রে গাঁথা।
তাঁর লেখা কবিতার বইয়ের সংখ্যা ১৪টি। আবার আত্মীয়-পরিজনদের জন্মদিনে তিনি উপহার হিসেবে তুলে দেন নতুন লেখা একটি করে কবিতা। তবে নিজেকে কবি বলতে নারাজ তিনি । শারীরিকভাবে সুস্থ হয়ে ওঠার অপেক্ষায় রয়েছেন আপামর বাঙালি। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ছাড়া বাঙালির অস্তিত্ব ভাবাই যায় না। আট থেকে আশি এই অভিনেতার আরোগ্য কামনায় ব্যস্ত। এই ৮৫ বছর বয়েসেও জীবন শক্তিতে ভরপুর একটি মানুষ। মঞ্চ-থিয়েটার-ফিল্ম সবক্ষেত্রেই তাঁর অবাধ বিচরণ। মানুষটা সব সময়ই চিরনবীন। ঘুমন্ত এক কবি সত্ত্বাও সর্বদা জাগ্রত। কবিতা যেন তাঁর কলমে ও কন্ঠে বিরাজমান। লেখা ছাড়াও কবিতা পাঠেও অনবদ্য সৌমিত্র ।
‘প্রাক্তন’-ছবিতে তাঁর কণ্ঠে রবি ঠাকুরের ‘হঠাৎ দেখা’ মুগ্ধ করেছিল সবাইকে। ১৯৫৯-সালে প্রথম ছবি ‘অপুর সংসার’। ওই ছবিতেও কবি অপুকে দেখা যায়। কবি হিসাবে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম বই ১৯৭৫ সালে। জলপ্রপাতের ধারে দাঁড়াব বলে। ৫৪টি কবিতার সেই সংকলন প্রকাশিত হয়েছিল। আবার প্রচ্ছদশিল্পী হলেন সত্যজিৎ রায়।তারপর ব্যক্তিগত নক্ষত্রমালা, শব্দেরা আমার বাগানে, পড়ে আছে চন্দনের চিতা, হায় চিরজল, পদ্মবীজের মালা, হে সায়ংকাল প্রভৃতি রয়েছে। আবার বর্ণপরিচয় থেকে প্রকাশ পেয়েছে তাঁর কবিতার বই “হলুদ রোদ্দুর”। প্রকাশ পেয়েছে সৌমিত্রর কবিতা সংকলন মধ্যরাতের সংকেত। জানা গিয়েছে,৪৮টি কবিতার এই সংকলনে স্বতন্ত্র এক সৌমিত্র। তাঁর আরোগ্য কামনা করছেন সমস্ত বাঙালি।

