এভারেস্ট আরোহণের শতবর্ষে জঞ্জালমুক্ত করার অভিযান
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : এভারেস্ট আরোহণের শতবর্ষে সাফাই অভিযান শুশুনিয়ায়। সূত্রের খবর, ১০ সপ্তাহ ধরে প্রথম অভিযান চলেছিল বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টে। উল্লেখ করা যায়, বিশিষ্ট পর্বতারোহী জর্জ ম্যালোরি-সহ ব্রিটিশ অভিযাত্রী দল তিব্বতের দিক থেকে এভারেস্টের শীর্ষে পৌঁছনোর জন্য পথের অনুসন্ধান চালিয়েছিলেন। শেষে নর্থ কল দিয়ে ম্যালোরি-সহ ৩ জন অভিযাত্রী ৭০২০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত পৌঁছতে সক্ষম হন। দিনটা ছিল ১৯২১ সাল।
সূত্রের আরও খবর, এভারেস্টের বুকে সেই প্রথম অভিযানের শতবর্ষ স্মরণে এবার ওই পথে নামতে চলেছেন বাঙালি পর্বতারোহীরা। এক্ষেত্রে তারই প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে পুরুলিয়ায় শুশুনিয়া পাহাড়কে জঞ্জালমুক্ত করার অভিযানে নামল কলকাতা ও বাঁকুড়ার দুটি পর্বতারোহণ ক্লাব। আজ ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দু-দিন ধরে শুশুনিয়ার বুকে জমে থাকা জঞ্জাল ও প্লাস্টিক সরাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে হাত মেলালেন তাঁরা।
এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে পর্বতারোহী সূত্রে জানানো হয়েছে, এভারেস্টে প্রথম অভিযানের শতবর্ষ উপলক্ষ্যে সারা বছর পরিবেশ সংক্রান্ত নানা কাজ করা হবে। তারই প্রথম পদক্ষেপ হল- শুশুনিয়া সাফাই অভিযান। এ বিষয়ে আরও বলা হয়েছে, শুশুনিয়া হল এ রাজ্যে অ্যাডভেঞ্চারের আঁতুড়ঘর। ১৯৬৫ সাল থেকে এই পাহাড়ে বহু পর্বতারোহীর হাতেখড়ি হয়েছে। তাই শুরু করা হয়েছে শুশুনিয়া থেকেই।
এছাড়া উল্লেখ করা যায়, শুধু প্রথম অভিযানের শতবর্ষই নয়। এভারেস্টের বুকে অসামরিক বাঙালি হিসেবে প্রথম সফল সামিটের ১০ বছর পূর্তি হয়েছে গত বছর। প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে বিশ্বের উচ্চতম শৃঙ্গে পৌঁছান প্রথম বাঙালি অসামরিক জুটি- বসন্ত সিংহরায় ও দেবাশিস বিশ্বাস। গত বছর করোনা পরিস্থিতিতে সেই উদ্যোগ পালন করা সম্ভব হয়নি। চলতি বছরে অ্যাডভেঞ্চার অভিযানের মাধ্যমে সেই কাজটা সম্পন্ন করতে চাইছেন তাঁরা। পাশাপাশি শুশুনিয়া নিয়ে সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদের সচেতন করতে উদ্যোগী হয়েছেন তাঁরা।

