স্কুল খোলার অনিশ্চয়তায় পিছোতে পারে শিক্ষাবর্ষ
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ বর্তমান করোনা আবহে সেপ্টেম্বর মাসে স্কুল খোলা যাবে কিনা তা নিয়ে বেশ সংশয় দেখা দিয়েছে। এমনটাই খবর রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে। সিলেবাস কমানোর বিকল্প ভাবনা হিসেবে শিক্ষাবর্ষ পিছিয়ে দেওয়া যায় নাকি সেই বিষয়ে আলাপ আলোচনা শুরু হয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতরে। মার্চ মাসের শেষ দিক থেকে এখনও পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রয়েছে। প্রায় চার মাস সময় নষ্ট হয়েছে। করোনা যন্ত্রনা কাটিয়ে কবে থেকে স্বাভাবিক হবে স্কুল সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত নয় রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর। বর্তমানে করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতিতে সেপ্টেম্বর মাসে স্কুল খোলার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তাই সিলেবাস কমানোর বিকল্প ভাবনা হিসেবে শিক্ষাবর্ষ পিছিয়ে দিলে প্রকৃতপক্ষে লাভবান হবে রাজ্যের ছাত্র-ছাত্রীরাই। অতএব শিক্ষাবর্ষ পিছনো যায় কি না সেই বিষয়ে আলাপ-আলোচনা শুরু করেছে দফতরের আধিকারিকরা। সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন সব ঠিকঠাক থাকলে ৫ সেপ্টেম্বরের পরে স্কুল খোলার বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করা যাবে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ যে হারে ঊর্ধ্বমুখী সে ক্ষেত্রে সেপ্টেম্বরে স্কুল খোলার সম্ভাবনা কার্যত নেই বললে চলে।
তবে শিক্ষা মন্ত্রীর নির্দেশে অবশ্য সিলেবাস কমানোর ব্যাপারে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছিল রাজ্য সিলেবাস কমিটি। গত মাসেই সিলেবাস কমিটির চেয়ারম্যান জানিয়েছিলেন দশম, দ্বাদশ শ্রেণীতে বোর্ড পরীক্ষার দিকে মাথায় রেখে সিলেবাস কমানো যায় কি না সে বিষয়ে আলাপ-আলোচনা চালানো হবে। কিন্তু যেভাবে স্কুল বন্ধের সময়সীমা বাড়ছে সে ক্ষেত্রে সিলেবাস কমিয়ে খুব একটা লাভবান হবে না বলেই মনে করছে দপ্তরের আধিকারিকরা। সিলেবাস কমিয়ে দিলে ভবিষ্যতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদেরই। বিশেষত দশম,দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাস কমলে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে। সূত্রের খবর, সিলেবাস কমান নিয়ে এখনও পর্যন্ত আলোচনার প্রক্রিয়া এগোয়নি। ফলে সিলেবাস কমানর বিকল্প হিসাবে শিক্ষাবর্ষ পিছনোর ভাবনাকেই এখন আলোচনার রূপ দিতে চাইছেন দফতরের আধিকারিকরা। যেহেতু ইতিমধ্যেই সিবিএসসি আইসিএসসি বোর্ড দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর সিলেবাস কমিয়ে নির্দেশিকা জারি করেছে সেই বিষয়টি অবশ্য মাথায় রাখছে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা।

