Yoshihide SugaOthers World 

জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নতুন প্রধান হচ্ছেন ইয়োশিহিদে সুগা

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ গত মাসে স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে তাঁর পদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। সোমবার জাপানের শীর্ষ মুখপাত্র ইয়োশিহিদে সুগা জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নতুন প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তাঁর নির্বাচন প্রায় নিশ্চিত বলে জানা যায়। প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের উত্তরসূরি নির্বাচনের জন্য ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলএডি) নির্বাচনে সুগা ৩৭৭ টি ভোট পান এবং অন্য দুজন প্রার্থীর সম্মিলিত ভোট ছিল ১৫৭। গত মাসে স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেছিলেন।

৭১ বছর বয়সী ইয়োশিহিদে সুগা বর্তমানে আবে সরকারের মুখ্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব। ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রী শিনজো ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে সুগা তার নিকটতম মিত্র। সুগা করোনার সংকট থেকে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার ও শিনজোর নীতি অনুসরণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।জানা যায়, সুগা-র সঙ্গে প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিগেরু এসিবা এবং প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফুমিও কিশিদাও প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড়ে ছিলেন। জাপানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য যে কোনও নেতাকে প্রথমে ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি হতে হবে। এর পরে নতুন প্রধানমন্ত্রী সংসদে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। এলডিপি-র ২০২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার কথা। দলটির নিম্ন কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। এর আগে দলটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে সাধারণ কর্মীরা আর নেতা পদে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। নেতা নির্বাচন করার নতুন পদ্ধতির বিরোধিতা করেছেন এশিবা এবং কয়েকশ নেতা-কর্মী। তাঁরা বলেছেন যে, এটি দল ও গণতন্ত্রের স্বার্থের পরিপন্থী। একই সঙ্গে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন যে, নির্বাচন শেষ হতে দুই মাস সময় লাগতে পারে, যা জাতীয় স্বার্থের দিক দিয়েও ভালো নয়।

শিনজো উত্তরাধিকার সূত্রে রাজনীতি করছেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নোবুসুক কিশি তাঁর দাদা ছিলেন। শিনজো ৫২ বছর বয়সে ২০০৬ সালে জাপানের কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হন। যদিও তাঁর স্বাস্থ্যের কারণে এক বছর পরে তাকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল, তবে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে তিনি ক্ষমতায় ফিরে আসেন। শিনজো আবে ‘আলসারেটিভ কোলাইটিস’ রোগে ভুগছেন। যদিও চিকিৎসার কারণে এই রোগটি নিয়ন্ত্রণে ছিল তবে সাম্প্রতিক সময়ে তা আবারও দেখা দিয়েছে। এই কারণে তাঁকে সপ্তাহে ২ বার হাসপাতালে যেতে হয়েছিল।

Related posts

Leave a Comment