tripurasundari templeOthers 

ত্রিপুরায় নির্বাচনী আবহ : ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরের গুরুত্ব

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচনী প্রচার ঘিরে জোর উন্মাদনা। ক্ষমতাসীন বিজেপি,বাম-কংগ্রেস জোট, তিপ্রামোথা সহ তৃণমূলের ভোট প্রচার এখন তুঙ্গে। ভোট আবহে ত্রিপুরায় ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরের গুরুত্ব বেড়েছে অনেকখানি। সব রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা মন্দিরে পুজো দেওয়ার বিষয়টি মাথায় রাখছেন। এই মন্দিরের অতীত ইতিহাস অনেকেরই জানা। ভিনরাজ্যের অনেকেরই বিষয়টি অজানা।

ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে মাতাবাড়ি গ্রামে ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির গড়ে উঠেছে ১৫০১ খ্রিস্টাব্দে। মহারাজা ধন্য মাণিক্য এই জাগ্রত মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এটি খ্যাত সতীর ৫১ শক্তিপীঠ হিসেবে। কথিত রয়েছে সতী ডান পা এখানে পতিত হয়েছিল। তারপর থেকেই এই মন্দিরে সতী মা-কে ত্রিপুরেশ্বরী হিসাবে পুজো করা হয়ে থাকে । ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরও বলা হয়ে থাকে।

স্থানীয় ভাবে প্রচলিত রয়েছে,মধ্যযুগে মহারাজা ধন্য মাণিক্য দেবীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই মন্দির নির্মাণে প্রয়াস নিয়েছিলেন। চট্টগ্রাম থেকে দেবী চট্টেশ্বরীর বিগ্রহ নিয়ে এসেছিলেন। তা মাতাবাড়ির একটি ছোট পাহাড়ের উপর স্থাপন করা হয়েছিল। এ বিষয়ে আরও জানা যায়, এই পাহাড়ের আকৃতি ছিল অনেকটা কচ্ছপের মত। তাই এই শক্তিপীঠের নামকরণ করা হয় কুরুমা পীঠ হিসেবেও।

স্থানীয়ভাবে জানা যায়, প্রধান মন্দিরটি ১৫০১ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির মুঘল শাসনেরও পূর্বে ত্রিপুরার মহারাজা ধন্য মাণিক্য নির্মাণ করেন। বাংলার এক-রত্ন শৈলীতে নির্মিত এই মন্দির যা আজও ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে । প্রতি বছর দীপাবলী-তে মেলা বসে এই মন্দিরকে উপলক্ষ করে। ভিন রাজ্যের তীর্থযাত্রীদের সমাগম ঘটে। বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে এই মন্দির দর্শন-পুজো দেওয়া সহ জনসমাগম বাড়ছে। মন্দিরের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। (ছবি : সংগৃহীত)

Related posts

Leave a Comment