Work From Home-1Others 

সঙ্কটের মধ্যে “ওয়ার্ক ফ্রম হোম” নিয়ে জোর চর্চা

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : “ওয়ার্ক ফ্রম হোম” নিয়ে নানা জল্পনা। মন বসাবেন কীভাবে তা নিয়ে জোর চর্চা অব্যাহত। করোনার এই সঙ্কটের মধ্যে দেশের কর্মসংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে “ওয়ার্ক ফ্রম হোম”। এই ব্যবস্থায় কর্মীরা বাড়িতে বসেই অফিসের প্রয়োজনীয় কাজ করে চলেছেন। এরফলে একদিকে কর্মীর কাছ থেকে শ্রম পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। অন্যদিকে রাস্তাঘাটে বেরিয়ে অফিস না আসার কারণে কর্মীদের করোনা ঝুঁকিও কম থাকছে। সূত্রের খবর, অনেক কর্মীরাই দীর্ঘদিন বাড়িতে বসে কাজ করার সময় নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এক্ষেত্রে তাঁদের বাড়ছে নানা উৎকণ্ঠা। কাজে মনোনিবেশ করাও সম্ভব হচ্ছে না।

এমনকী খারাপ হয়ে যাচ্ছে কাজের গুণমান। পাশাপাশি মানসিক অবসাদের শিকারও হচ্ছেন পেশাদার ও দক্ষতা সম্পন্নরাও। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর মূল কারণগুলি হল– ওয়ার্ক ফ্রম হোমের ধারণা বেশিরভাগ মানুষের কাছেই একেবারেই নতুন। বাড়িতে বসে কীভাবে অফিসের সমস্ত কাজ করা যাবে, এই ব্যাপারটা এখনও অনেকে আয়ত্তে আনতে সক্ষম হননি। করোনার কবলে পরিবারের সকলেই এখন বেশিরভাগ সময় ঘরবন্দি। এক্ষেত্রে বাড়ির অনেক দায়িত্বও পালন করতে হচ্ছে। আবার শিশুরা থাকলে তা সামলানোর দায়িত্বও কাঁধে পড়ছে। সব মিলিয়ে অনেকেই এই অতিরিক্ত চাপ গ্রহণ করতে পারছেন না।

সেক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব ব্যক্তিগত জীবন-সহ কাজেও পড়ছে। আবার কাজে মন বসানোর জন্য নির্দিষ্ট জায়গার প্রয়োজন হয়। আবার অনেকের বাড়িতে কাজ করার মতো আলাদা ব্যবস্থা নেই। কাজ করতে গিয়ে মনঃসংযোগে ব্যাঘাত ঘটে চলেছে। অন্যদিকে অনেকের বাড়িতেই অফিসের কাজ করার মতো ল্যাপটপ, কম্পিউটার, ট্যাব ও হাই স্পিড ইন্টারনেট ব্যবস্থা-সহ বিবিধ সরঞ্জাম নেই। অনেকের বাড়িতে সরঞ্জামের ব্যবস্থা থাকলেও একই সরঞ্জাম পরিবারের সদস্যরা ব্যবহার করছেন। আবার পড়ুয়াদের স্কুলের অনলাইন ক্লাসও চলছে। এরফলে সমস্যা বাড়ছে। করোনা আবহে গোটা বিশ্বজুড়ে মন্দার পরিবেশ। কাজ টিকিয়ে রাখা যাবে কি না, তা নিয়েও সংশয় বেড়েছে। যার প্রভাব পড়ছে কাজের ক্ষেত্রেও। এছাড়া অফিস যাওয়ার ক্ষেত্রে সামাজিক বিভিন্ন দিক রয়েছে। কাজের পরিবেশ, সহকর্মী, মিটিং, গল্প ও ক্যান্টিন-সহ সব কিছুরই অভাব রয়েছে বাড়ির পরিবেশে। এই পরিস্থিতিতে প্রভাব পড়ছে মনে ও কাজের ক্ষেত্রে।

Related posts

Leave a Comment