নাসার মঙ্গলযানে এক বাঙালির নাম
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ মঙ্গলে প্রাণের সন্ধানে নাসার পার্সিভের্যান্স মঙ্গলযানে সামিল শ্রীরামপুরের এক বাঙালি শৌনক দাস। গুগল গাইড হিসেবে তিনি পরিচিত। শৌনকের নাম যুক্ত রয়েছে এই মার্স মিশনের সাথে। মঙ্গল গ্রহ নিয়ে গোটা বিশ্বের মানুষ বরাবরই কৌতূহলী। লাল গ্রহ নিয়ে মানুষের আগ্রহ ফের প্রকাশ পেতে চলেছে। আজই, বৃহস্পতিবার আর্টেমিস প্রোগ্রামের প্রথম ধাপ সম্পন্ন হবে। রোভার পার্সিভের্যান্স পাড়ি দেবে মঙ্গল গ্রহে। এই মিশনে মোট ৩টি ল্যান্ডিং সাইট চিহ্নিত করা হয়েছে। জেজেরো ক্রেটার, এন ই সারটিস এবং কলম্বিয়া হিলস। রোভার মিশনে উন্নত অ্যানালাইজারের মাধ্যমে নানা তথ্য বিশ্লেষণ করা হবে। কি কি পাওয়া গেল তাও জানা যাবে ২০২২ সালের মধ্যে। ফলে গোটা বিশ্বের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে।
খবরটি পরে ভালো লাগলে লাইক ও শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দিন এবং আপনার মতামত জানান
গত বছর নাসা অনলাইনে তাদের অফিসিয়াল সাইটে ঘোষণা করে, মঙ্গল গ্রহে তারা নাম পাঠাবে। যারা যারা তাদের নাম পাঠাতে ইচ্ছুক তারা যেন আবেদন করে। এই ঘোষণায় আবেদন করে শৌনকও । বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের নাম ভেরিফিকেশন করে নাসা। সারা পৃথিবী থেকে মোট ১ কোটি ৯ লক্ষ ৩২ হাজার ২৯৫ জনের নাম বাছাই করা হয়। এদের সকলের নাম একটা মাইক্রো চিপে করে রকেটের মাধ্যমে মঙ্গল গ্রহে পাঠানো হবে। সেই চিপে রয়েছে শৌনকের নাম। এদিন শৌনক জানিয়েছে, “আমার তো দারুণ লাগছে। আমার নাম যাবে মঙ্গলে। বাঙালি হিসেবে দারুণ গর্ব বোধ হচ্ছে আমার। বহুদিন ধরে এই দিনটার অপেক্ষায় ছিলাম। অবশেষে আজ সেটা পূর্ণ হতে চলেছে”।
ইতিমধ্যেই শৌনকের কাছে নাসার কাছ থেকে বোর্ডিং পাস পাঠানো হয়েছে। সেখানে স্ট্যাটাসে লিখে দেওয়া আছে ‘নাও বোর্ডিং’। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সময় বিকেল ৫টায় মঙ্গল গ্রহের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছে নাসার এই মঙ্গলযান। পার্সিভের্যান্স এই মহাকাশ যানের নামের উদ্দেশ্য হল, কিছু বাধাকে টপকে জয়লাভ করা। ইউ এস এর ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল এয়ার ফোর্স স্টেশন থেকে এই রকেট পাড়ি দেবে। ২০২১ সালের ১৮ ফ্রেব্রুয়ারি সেটি মঙ্গল গ্রহে গিয়ে পৌছবে। লাল বিন্দুতে প্রাণের সন্ধান করবে এটি। কিছু পাথর ও মাটি সংগ্রহ করে পৃথিবীতে পাঠানোর কথা আছে। আর তাতেই যুক্ত হয়ে থাকল এক বাঙালির নাম।

