ব্যবসা বাড়ানোর লক্ষ্যে মুর্শিদাবাদে ৪৯টি কর্মতীর্থ
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মতীর্থ প্রকল্প ঘোষণা করেছিলেন। সেই ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি জেলাতেই জমি চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়। উল্লেখ্য, গ্রামের হাটগুলিকে অত্যাধুনিক করে ব্যবসা বাড়ানোই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জেলায় বেশকিছু কর্মতীর্থ চালুও হয়ে গিয়েছে। মুর্শিদাবাদে ৫১টি কর্মতীর্থ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে ৪৯টি কর্মতীর্থ ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছে বলে জানা যায়। পুজোর আগেই সেগুলি পুরোদমে চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।
প্রশাসন সূত্রে খবর, কর্মতীর্থগুলিতে প্রায় ১৮০০টি স্টল রয়েছে। যারমধ্যে বেশকিছু স্টল বিলি-বন্টন করা হয়েছে। বাকি স্টলগুলি বন্টনের জন্য কিছুদিনের মধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে বলে খবর। সূত্রের আরও খবর, জেলাশাসক জগদীশপ্রসাদ মীনা লকডাউনের সময় কান্দি ও বেলডাঙা-সহ বিভিন্ন ব্লকের কর্মতীর্থগুলির পরিকাঠামো ঘুরে দেখেছেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, প্রতিটি কর্মতীর্থ তৈরি করতে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। সেখানে জল ও বিদ্যুৎ-সহ অন্যান্য ব্যবস্থা রয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার জন্যই অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে স্টলগুলি সাজানো হয়েছে।

