দক্ষিণ এশিয়ার ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ শিশু ই-লার্নিং থেকে বঞ্চিত: ইউনিসেফ
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : ই-স্কুল থেকে বঞ্চিত বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ শিশু, ইউনিসেফ সূত্রে এমনই তথ্য সামনে এসেছে। করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাপী লকডাউন চলছে। সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ রয়েছে। এই অবস্থায় অনলাইন ক্লাসে অংশ নিচ্ছে পড়ুয়ারা। একপ্রকার ই-স্কুল হয়ে উঠেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি। এই আবহে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট তুলে ধরল ইউনিসেফ। ওই সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে, বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ শিশু ‘রিমোট লার্নিং’ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
যার প্রভাবে বিশ্বব্যাপী শিক্ষাক্ষেত্রে ‘জরুরি অবস্থা’ তৈরি হয়েছে। প্রায় ১৫০ কোটি শিশু স্কুলে যেতে পারছে না। ইউনিসেফের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর হেনরিয়েটা ফোরে এ প্রসঙ্গে জানান, স্কুল বন্ধ থাকার জন্য কমপক্ষে ৪৬ কোটি ৩০ লক্ষ শিশু রিমোট লার্নিংয়ের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। গত কয়েক মাসে এই বিপুল সংখ্যক শিশুর শিক্ষাব্যবস্থা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। যা বিশ্বব্যাপী শিক্ষাক্ষেত্রে জরুরি অবস্থার শামিল। প্রসঙ্গত, করোনা আবহে বিশ্বব্যাপী বৈষম্যের বিষয়গুলি তুলে ধরে রিপোর্টটি প্রকাশ্যে এনেছে ইউনিসেফ। এক্ষেত্রে দেখানো হয়েছে, আফ্রিকার সাহারা মরুভূমি সংলগ্ন এলাকার স্কুল পড়ুয়ারা সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ শিশু ই-লার্নিং থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে ইউনিসেফ ওই রিপোর্টে উল্লেখ করেছে। আর্থিকভাবে দুর্বল ও গ্রামীণ এলাকার শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমনটা ওই রিপোর্টে জানানো হয়।

