NeurologistsHealth 

ডিমেনশিয়া রোধ করতে সামাজিক সচেতনতা গুরুত্বপুর্ণ : স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: ডিমেনশিয়া রোধ করতে সামাজিক সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ । এটি খুবই জটিল রোগ । তবে প্রাথমিকভাবে ধরা পড়লে অবস্থার অবনতি আটকানো যেতে পারে । স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সচেতনতার অভাবে অধিকাংশ বয়স্ক ব্যক্তির স্মৃতিভ্রংশ অথবা ডিমেনশিয়া যখন ধরা পড়ে তখন তা হাতের বাইরে চলে যায়। এক্ষেত্রে, বেশিরভাগ রোগীই ছোট ছোট লক্ষণ গুলোকে অবহেলা করে থাকে । যার ফলে প্রতিনিয়ত রোগীর জীবনের অবনতি ঘটতে থাকে । পাশাপাশি আত্মীয়-পরিজনদের জীবনও দুর্বিসহ করে তোলে ।
উল্লেখ্য, একটি অনলাইন আলোচনায় স্মৃতিভ্রংশ বিষয় নিয়ে উঠে এসেছে অনেক তথ্য । এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, সাধারণ মানুষ বা সমাজকেই নয়, চিকিৎসক সমাজের একাংশের সচেতনহীনতাকেও বিশেষজ্ঞরা দায়ী করেছেন ।
সূত্রের খবর, অ্যালঝেইমার্স অ্যান্ড রিলেটেড ডিজিজেস সোসাইটি অফ ইন্ডিয়া ও মেন্টাল হেলথ ফাউন্ডেশন কলকাতার যৌথ উদ্যাগে আয়োজিত ‘আনফরগটন জানির্জ, কেয়ারিং ফর পার্সনস উইথ ডিমেনশিয়া’ শীর্ষক ওয়েবিনারে অংশগ্রহণ করেছিলেন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞরা ।
রোগটির সম্পর্কে স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, সব কিছু ভুলে যাওয়া মানেই স্মৃতিভ্রংশের লক্ষণ নয় । তবে ওই ভুলে যাওয়ার মধ্যে যদি কোনও রকম অস্বাভাবিক ব্যাপার থাকে তখন আস্তে আস্তে সন্দেহটা বাড়ে ।
স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে আমাদের এমন কিছু কোষ শুকিয়ে যায় । এর প্রভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয় চিন্তাভাবনার । যা দৈনন্দিন জীবনকে অনেক ব্যাহত করে ।
অন্যদিকে স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের মতামত, এক্ষেত্রে হঠাৎ কোনও ক্ষতি হয় না । এক্ষেত্রে তাঁদের বক্তব্য, বছরের পর বছর ধীরে ধীরে এই রোগের বৃদ্ধি ঘটে । তবে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে বৃদ্ধ বয়সে । এরপর সেটা ক্রমশই বাড়তে থাকে মৃত্যু পর্যন্ত । স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে স্মৃতিভ্রংশের আড়ালেই থেকে যায় অ্যালঝেইমার্স । আবার স্ট্রোক, অন্য কোনও অসুখ বা মাথায় অন্য কোনও আঘাত থেকেও মানুষের স্মৃতিভ্রংশ হতে পারে ।

Related posts

Leave a Comment