রাজ্যের মাছ রপ্তানির ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য বাজার এখন আমেরিকাও
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : আমেরিকাকে পিছনে ফেলে রাজ্য থেকে সবচেয়ে বেশি সামুদ্রিক মাছ রপ্তানি হয়েছে চিনে, এমনটাই জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, গত কয়েক বছরে এত মাছ পৌঁছায়নি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও। হিসেব অনুযায়ী এক্ষেত্রে আরও জানা যায়, ২০১৯-২০ আর্থিক বর্ষে চিনে ১,৫৪৪ কোটি টাকার বেশি মাছ পাঠানো হয়েছে। আবার ১৫০৮ কোটি টাকার মাছ-সহ অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণী পাঠানো হয় আমেরিকায়। সূত্রের আরও খবর, গত আর্থিক বছরে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৫৩৭৩ কোটি টাকার মাছ রপ্তানি করা হয়েছে।
চিনের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত সংঘাতের আবহে মাছ রপ্তানি বন্ধ হয়নি বলেও জানা গিয়েছে। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে চিনের বাজারের এখনও গুরুত্ব থেকে যাচ্ছে বলে একাংশ মনে করছেন। অন্যদিকে বাণিজ্য মন্ত্রকের অধীনস্থ মেরিন প্রোডাক্টস এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি সূত্রের খবর, ২ বছর ধরেই চিনে বিভিন্ন প্রকারের মাছ রপ্তানির হার ঊর্ধ্বমুখী। উল্লেখ্য, ২০১৮-১৯ সালে পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫,৮৯৬ টন। প্রায় ৭০৫ কোটি টাকা আয় হয়। তবে সব পরিসংখ্যানকে টেক্কা দিয়েছে গত বছরের রপ্তানি। এক্ষেত্রে প্রায় ৩৭,২৩৬ টন মাছ পাঠিয়ে আয় হয়েছে ১,৫৪৪ কোটি টাকা। এ বিষয়ে আরও জানা গিয়েছে, রিবন ফিশ, ক্যাটল ফিশ ও ক্রকার্স মাছের বিশেষ চাহিদা রয়েছে চিনে।
পাশাপাশি রাজ্যের মাছ রপ্তানির ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য বাজারে পরিণত আমেরিকাও। মাছ রপ্তানির হার বাড়ছে প্রতি বছরই। উল্লেখ করা যায়, ২০১৮-১৯ আর্থিক বছরে ১২২৮ কোটি টাকার মাছ রপ্তানি হয়। গত ২০১৯-২০ অর্থ বছরে তা বেড়ে হয়েছে ১৫০৮ কোটি টাকা। এ বিষয়ে আরও জানা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কম পরিমাণ মাছ পাঠিয়ে বেশি উপার্জন হয়। লাভের হারে চিনকে পিছনে ফেলে সামনে এগিয়েছে আমেরিকা।

