লোকাল ট্রেন পরিষেবা নিয়ে ভাবনা আম-জনতার
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোর পূর্বে কি চলবে লোকাল ট্রেন,তা নিয়ে ভাবনা আম-জনতার। সূত্রের খবর, দিনক্ষণ স্থির করতে প্রত্যয়ী রেল। এ বিষয়ে রাজ্যের সাথে কথা বলে পূর্ব রেল দুরত্ব বিধি নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে চাইছে বলে জানা গিয়েছে। লোকাল ট্রেন চালু করার বিষয়ে রাজ্যের সাথে এই নিয়ে শীঘ্রই আলোচনাও চায় রেল।প্রসঙ্গত, দুর্গা পুজোর আগেই চিঠি দিয়ে রাজ্যকে দিনক্ষণ স্থির করে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছিল রেল। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, লোকাল ট্রেন চালু হলে আপত্তি নেই। রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাজ্য আগে তাদের চিঠি দিক। রাজ্যের তৎকালীন স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় রেল বোর্ডের চেয়ারম্যানকে চিঠিও দিয়েছিলেন। এরপর শুরু হয় প্রাথমিক পর্বে রেল ও রাজ্যের মধ্যে আলোচনা। চালু হয়েছিল মেট্রো পরিষেবা। তবে লোকাল ট্রেন চালু হয়নি। সূত্রের আরও খবর, পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে এর আগে চিঠি দেওয়া হয়েছিল দক্ষিণ পূর্ব রেল ও মেট্রো রেল একসাথে আলোচনায় বসার বিষয়ে। মেট্রো রেলের সাথে পরিষেবা চালু নিয়ে আলোচনা হয়। রেল ও রাজ্যের যৌথ আলোচনায় মেট্রো পরিষেবা নিয়ে জটিলতা দূর হয়। গত ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে চলেছে মেট্রো রেল পরিষেবা। এবার চালু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি লোকাল ট্রেনের। কালীপুজোর আগেই চালু হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে লোকাল ট্রেনের,এমনটা মনে করা হচ্ছে। লোকাল ট্রেন চালু নিয়ে রাজ্যের সাথে আলোচনা চাইছে রেল। স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে বাড়তি নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে রেলের পক্ষ থেকে । এবার লোকাল ট্রেন চালু করতে চেয়ে রাজ্যের সাথে আলোচনা করে নিতে চায় রেল কতৃপক্ষ। দক্ষিণ পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রেলের পক্ষ থেকে নিজেদের মতো করে তৎপরতা নেওয়া হচ্ছে।মেট্রোতে যেমন ভিড় হয় তার চেয়ে অনেক বেশি ভিড় হয় লোকাল ট্রেনগুলিতে। আবার শহর ও শহরতলির স্টেশনে প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য একাধিক গেট রয়েছে। ফলে কোভিড স্বাস্থ্য-বিধি মেনে যাত্রী নিয়ন্ত্রণ করা বেশ মুশকিল।এজন্য রেল ও রাজ্য একসাথে আলোচনায় বসে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।পাশাপাশি পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,মেট্রোর যাত্রী সংখ্যার সঙ্গে লোকাল ট্রেনের যাত্রীর সংখ্যার তুলনা চলতে পারে না। হাওড়া, শিয়ালদহ, আসানসোল, মালদা ডিভিশন সহ বিভিন্ন স্টেশনে ওপেন লাইন হওয়ায় সেখানে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন কাজ। স্টেশনগুলিতে একাধিক ঢোকা ও বেরনোর রাস্তাও রয়েছে। আবার অনেক জায়গায় নির্দিষ্ট কোনও রাস্তা নেই।

