জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ভাবনা সর্বকনিষ্ঠ পরিবেশবিদ লিসিপ্রিয়ার
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ পরিবেশবিদ লিসিপ্রিয়া চান সব স্কুলের পাঠ্য হোক জলবায়ু পরিবর্তন। মাত্র ৮ বছর বয়স থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ও তার প্রভাব নিয়ে মানুষকে সচেতনা বাড়াতে প্রচেষ্টা নিয়েছে লিসিপ্রিয়া কানগুজম। সূত্রের আরও খবর , বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে গোটা বিশ্বে। এর জেরে প্রভাব পড়ছে পরিবেশে। এর প্রভাবে গলে যাচ্ছে বরফও। এই আবহে বিলুপ্তির পথে হাঁটতে শুরু করেছে একাধিক প্রজাতি।
উল্লেখ করা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনের পিছনে রয়েছে লাইফস্টাইল ও বেঁচে থাকার বিষয়টি । বড় অংশের মানুষ জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সেভাবে চিন্তা-ভাবনা করেন না । এর ফলে সমস্যা আরও বেড়ে চলেছে। এক্ষেত্রে পরিবেশ বিদ ও বিজ্ঞানীরা আমাদের শুধুই সচেতন করবেন, এটা ভাবা ঠিক নয় । এক্ষেত্রে নিজেদেরও সচেতন হওয়া উচিত। তবে এগিয়ে আসতে হবে তরুণ প্রজন্মকে। এই সচেতনতা বাড়ানোর কাজটি খুব ছোট থেকেই সকলের মধ্যে তৈরি করতে হবে। মাত্র ৮ বছর বয়স থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ও তার প্রভাব নিয়ে মানুষকে সচেতনা করতে শুরু করেছে লিসিপ্রিয়া।
সৃজনশীল কিছু শিখলেও পরিবেশ নিয়ে মাথা ঘামাতে চায় না সমাজের বড় অংশ । ভারতের লিসিপ্রিয়া ছোট্ট বয়সেই বিভিন্ন জায়গায় পরিবেশ নিয়ে মানুষকে সচেতন করার কাজ শুরু করেছে। বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ পরিবেশকর্মী হিসেবে গত ২ বছর ধরে এই কাজ করছে। এক্ষেত্রে জানা যায়, লিসিপ্রিয়ার নাম প্রথম উঠে আসে ২০১৯ সালে। এরপর লিসিপ্রিয়া রাষ্ট্রপুঞ্জের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কনফারেন্স -এ অংশগ্রহণ করে । মাদ্রিদে হওয়া ওই কনফারেন্সে অংশ নিয়েছিল। তখন তার বয়স মাত্র ৮ বছর ।
পরিবেশ সচেতনতা নিয়ে সমস্ত স্কুলে পড়ানো এবং জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার কাজ করা যেতে পারে । এ বিষয়ে মাদ্রিদে বক্তব্য রাখার সময়ে লিসিপ্রিয়া জানিয়েছিল- “আর সময় নেই, আমাদের এ বার সচেতন হতে হবে।” উল্লেখ্য, এর আগে সুইডেনের গ্রেটা থানবার্গ পরিবেশ নিয়ে একাধিক সচেতনতামূলক কাজ করে। গোটা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে সে। বড় হয়ে মহাকাশবিদ হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে লিসিপ্রিয়া। পড়াশোনার পাশাপাশি ওই কন্যার পরিবেশ বাঁচানোর কাজ চলছে।

