ধূমপান নানা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে-কীভাবে তা জেনে নিন
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: ধূমপানের নানা ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে। শরীরের উপরেও তার প্রভাব পড়ে। ১৯৮৪ সাল থেকে ব্রিটেনে নো স্মোকিং ডে পালন শুরু হয়। এখন নানা দেশ এই পথে পা বাড়িয়েছে। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য মানুষজনকে সচেতন করার জন্য পালিত হয়- নো স্মোকিং ডে। বিজ্ঞাপন, সোশ্যাল মিডিয়া সহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মানুষজনকে সতর্ক করার চেষ্টা হয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞ-চিকিৎসকরা জানিয়েছেন,ধূমপানের সঙ্গে শরীরের নানা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ জড়িয়ে রয়েছে। মুখ, গলা, নাক ও ফুসফুস থেকে শুরু করে প্রতিটি অংশ ধূমপানের জেরে মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মুখে বা গলায় ক্যানসার পর্যন্ত হওয়ার সম্ভাবনাও থেকে যায়।
দীর্ঘ দিন ধরে ধূমপান করলে ফুসফুসের উপরে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে থাকে। শ্বাসরন্ধ্রগুলি ফুলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এক্ষেত্রে দীর্ঘ মেয়াদে অ্যাজমার সমস্যাও হতে পারে। শ্বাসযন্ত্রজনিত রোগের ক্ষেত্রে অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা নয়। ধূমপানের জেরে ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ ও ইন্টারস্টিসিয়াল লাং ডিজঅর্ডারের প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে । এক্ষেত্রে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়তে পারে। মৃত্যু পর্যন্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হৃদপিণ্ডের সঙ্গে যুক্ত শিরা ও ধমনীর রক্তপ্রবাহে বাধা দেয় ধূমপান। রক্তপ্রবাহ বন্ধ করে দিতে পারে অনেক ক্ষেত্রে। পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ -এর সম্ভাবনাও বাড়তে পারে।
স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক বা এই জাতীয় নানা রোগে মৃত্যু পর্যন্ত হওয়ার সম্ভাবনা। প্রজনন ক্ষমতার উপরে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। মহিলা ও পুরুষ উভয়ের প্রজনন ক্ষমতার ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে ধূমপান। অতিরিক্ত ধূমপানের জেরে শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর গুণগত ও পরিমাণগত মানের হ্রাস ঘটতে থাকে। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ-চিকিৎসকরা জানিয়েছেন,অতিরিক্ত নেশার প্রভাবে ইরেক্টাইল ডিজফাংশনের মাত্রা বেড়ে যায়। মহিলাদের ক্ষেত্রে হরমোনাল ডিজ-অর্ডার ঘটে যেতে পারে। সন্তানধারণের পথে অন্তরায় হতে পারে।
খবরটি পড়ে ভালো লাগলে লাইক-কমেন্ট ও শেয়ার করে পাশে থাকবেন।

