panjika and calenderLifestyle Others 

বাংলা নববর্ষের সঙ্গে জুড়ে-জড়িয়ে পঞ্জিকা ও ক্যালেন্ডার

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: প্রাচীনকাল থেকেই পঞ্জিকা ও বাংলা ক্যালেন্ডারের চাহিদা রয়েছে। একপ্রকার মুনি ঋষিদের যুগ থেকে আজকের প্রজন্মের কাছে আজও এ সবের গুরুত্ব রয়েছে। বাংলা নববর্ষের দিনে বাংলা ক্যালেন্ডার ও পঞ্জিকা অন্যমাত্রা পায় ।

যে কোনও অনুষ্ঠানে এ সবের প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যায়। বিবিধ পার্ব্বন, বিয়ে, অন্নপ্রাশন,শ্রাদ্ধ সহ বাঙালির নানা অনুষ্ঠানে পঞ্জিকার প্রয়োজন পড়ে।
প্রতি বছর পয়লা বৈশাখে নতুন পঞ্জিকা ও বাংলা ক্যালেন্ডারের নবতম সংস্করণ বের হয় । একসময় রাজা বা জমিদারেরা বছরের শুরুতে বাড়িতে শাস্ত্রবিদ অথবা পণ্ডিত ডেকে বছরের বর্ষফল ও পুজো-পার্ব্বনের দিনক্ষণ জানতেন। পুরনো বনেদি বাড়িতে সেই রেওয়াজ এখনও রয়েছে। অনেক বাড়িতে নববর্ষের দিন পঞ্জিকা পাঠও করানো হয়।

উল্লেখ করা যায়,ইংরেজি ক্যালেন্ডারের বছর বা অব্দকে বলা হয় খ্রিষ্টাব্দ, বাংলা ক্যালেন্ডারের ক্ষেত্রে অব্দকে বলা হয় বঙ্গাব্দ। এক্ষেত্রে রয়েছে ১২টা মাস। বাংলায় বিভিন্ন মাসের দিন, সংখ্যা, তিথি ও নক্ষত্রের সময়কাল অনুযায়ী তা পালটাতে থাকে। আবার ক্যালেন্ডারের বার তিথি ও তারিখ নক্ষত্র ঠিক হয় পঞ্জিকা বা পাঁজি দেখে।

শাস্ত্রবিদ বা পণ্ডিতদের মতে,প্রাচীনকালে জ্যোতিষীরা চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ- নক্ষত্রের অবস্থান, দিন-রাতের হিসেব এবং বেশ কিছু তথ্যের উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নিয়ে সেখান থেকেই পঞ্জিকার বিষয়টি চালু হয়েছে। অন্যদিকে জ্যোতির্বিদ্যার উন্নতি হওয়ার পর থেকেই পঞ্জিকার গণনা পদ্ধতির পরিবর্তন হতে থাকে। পঞ্জিকা ধাপে ধাপে সাধারণ মানুষের জীবনের সঙ্গে জুড়ে -জড়িয়ে যায়। যুগ বদল হলেও এখনও কদর কমেনি।

মতামত সহ লাইক ও শেয়ার করবেন।

Related posts

Leave a Comment