subrato and tmcOthers Politics 

বঙ্গ রাজনীতির অপরিহার্য মুখ সুব্রত

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক:সেই ১৯৭১ সাল থেকে বিধায়ক হওয়ার নজির রয়েছে তাঁর। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অনেক উত্থান-পতন দেখেছেন তিনি। বিরাট অভিজ্ঞতা মিশ্রিত তাঁর রাজনৈতিক জীবন। বালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। প্রথম বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে হিসাব করলে ৫০ বছর রাজনীতির জগতে রয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা যেমন রয়েছে তেমনি বিতর্কও পিছু ছাড়েনি তাঁকে কেন্দ্র করে। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত ৫০ বছর অতিক্রম করেছে। এখনও সেই মুখ বঙ্গ রাজনীতির আঙিনায়। মোদ্ধা কথা-ভরসার নাম সুব্রত মুখোপাধ্যায়।

পাঁচ দশক পেরিয়ে গিয়েছে ৷ দুই মুখ্যমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার অংশ তিনি ৷ রীতিমতো গুরুদায়িত্ব নিয়েই রয়েছেন মন্ত্রিত্বে। নির্বাচনী রাজনীতিতে তাঁর অংশগ্রহণ ৫০ বছর ৷ সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রেও অন্যতম ভরসার জায়গা সুব্রত। দক্ষতার নিরিখে চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায় শ্রী মুখোপাধ্যায়কে ৷ লক্ষণীয় বিষয়- এবারে তৃণমূল সুপ্রিমো অনেক সিনিয়র মন্ত্রীর দফতর বদল করলেও গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন দফতর তুলে দিলেন বিশ্বস্ত হাতেই।
১৯৭১ সালে বালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রথম বার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। প্রথম বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর ৫০ বছর পার করলেন তিনি। ১৯৭২ সালে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের মন্ত্রিসভায় তথ্যসংস্কৃতি দফতরের মন্ত্রী হয়েছিলেন।

একাধিক বার বিধায়ক নির্বাচিত হয়ে রাজ্য বিধানসভায় পৌঁছেছেন। বাংলার রাজনীতির অপরিহার্য মুখ হয়ে উঠেছেন তিনি। কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে এসে
কলকাতার মেয়র হয়েছেন। তৃণমূলের সঙ্গে মতবিরোধ হওয়াতে ফিরে গিয়েছেন কংগ্রেসে ৷ বঙ্গ রাজনীতিতে এক অন্যরকম চরিত্র তিনি ৷ ২০১১ সাল থেকে গত দশ বছর ধরে রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরের দায়িত্বভার সামলাচ্ছেন তিনি। মূলত পঞ্চায়েত স্তর থেকে সংগঠন তৈরি হয়। পঞ্চায়েতকে ঘিরেই সাধারণ মানুষের চাওয়া -পাওয়ার বিষয়টি স্থির হয়। তাই বিশ্বস্ত হাতেই রয়েছে পঞ্চায়েত দফতরটি ৷ এক্ষেত্রে সুফলও পেয়েছে তৃণমূল।

দুই মুখ্যমন্ত্রীর মন্ত্রিসভায় কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা সুব্রত মুখোপাধ্যায় তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক রকম ধারণা, পদ্ধতি, মানুষের জন্য কাজ করার একটা স্টাইল আছে৷ সিদ্ধার্থদারএকটা স্টাইল ছিল৷ দুটোর তুলনা করতে চাই না ৷ তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক বেশি সময় পেয়েছেন এবং অনেক বেশি কাজ করেছেন মানুষের জন্য৷” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রাম এবং শহরের সমান ভাবে উন্নয়ন করেছেন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি ৷ এক্ষেত্রে তাঁর বক্তব্য,”গ্রামকে অবজ্ঞা করে শহরকে তুলে ধরেননি৷ শহরকে অবজ্ঞা করে গ্রামের কাজ করেননি ৷ তাই সব জায়গাতেই সমান ভোট পেয়েছেন মমতা।” আবারও পঞ্চায়েত মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ জানিয়েছেন,সততা ও সাহস নিয়ে কাজ করি। এবারও সেই কাজটাই করব। এবারের আমাদের রেজাল্ট সেরার সেরা।

মতামত সহ লাইক ও শেয়ার করবেন।

Related posts

Leave a Comment