চোখ রাঙিয়ে চলেছে ঘূর্ণিঝড় “টাউতে”
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: ধ্বংসলীলা শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় “টাউতে”। ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ের দাপটে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৪ জন।
৭৩টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর। ভয়ঙ্কর শক্তি বাড়িয়ে চলেছে এই ঘূর্ণিঝড় ৷ একদিকে দেশে ভয়াবহ করোনা আবহ। অন্যদিকে চোখ রাঙিয়ে চলেছে এই ঘূর্ণিঝড় ৷ দিল্লির মৌসম ভবন সূত্রের খবর, ১৬ থেকে ১৯ মে তারিখের মধ্যে এই ঝড় আছড়ে পড়বে। ১৫০-১৬০ কিলোমিটার গতিতে এই হাওয়া বয়ে যাবে। তার সঙ্গে অতি ভারী সাইক্লোন আছড়ে পড়বে ৷ হাওয়ার গতিবেগ বেড়ে ১৭৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় পৌঁছে যেতে পারে ৷ ইতিমধ্যেই ঝড়ের দাপট শুরু হয়েছে বলে খবর।
৪ জনের মৃত্যু সহ ৭৩টি গ্রাম তছনছ হয়েছে বলে জানানো হয়েছে ৷ কর্নাটক বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী সূত্রের এই খবর ৷ কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইদুরাপ্পা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে এই ঘূর্ণিঝড় সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিশেষ বৈঠক ডেকেছেন বলেও জানা যায়। উপস্থিত ছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে ৷ সূত্রের খবর,করোনায় বিপর্যস্ত বৃহনমুম্বই কর্পোরেশন। এরপর এই ঝড়ের আগাম সতর্ক বার্তা থাকায় ৫৮০ জন করোনা রোগীকে কোভিড সেন্টার থেকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শহরের গা ঘেঁষে বয়ে যাবে এই ঝড়, তাই আগে থেকে বাড়তি সতর্কতা গ্রহণ করেছে প্রশাসন৷ পুণে ও গোয়ায় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী পৌঁছে পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালাচ্ছে।
ইতিমধ্যে ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করছে ঘূর্ণিঝড় টাউতে। যার জেরে কমলা সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন ৷ এর প্রভাব পড়তে চলেছে মুম্বই সহ গোটা মহারাষ্ট্রে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সাক্ষী থাকতে চলেছে মুম্বই মহানগরী ৷ পশ্চিম মহারাষ্ট্রের পার্বত্য অঞ্চলেও বজায় থাকবে ঝড়ের তীব্রতা,এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন ৷

